ঢাকা ০৭:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ অগাস্ট ২০২৫, ১৫ ভাদ্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ Logo সুনামগঞ্জ সীমান্তে ২ লাখ ৪৯ হাজার টাকার ভারতীয় মদ জব্দ Logo ভণ্ডামি বাদ দেন স‍্যার’— আসিফ নজরুলকে হাসনাত Logo কালিগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জকে প্রেসক্লাবের পক্ষ থেকে সম্বর্ধনা Logo তরুণ প্রজন্মকে মাদকমুক্ত রাখতে ক্রীড়ার বিকল্প নেই—সাবেক এমপি কাজী আলাউদ্দিন Logo জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের জুলাই – ২০২৫ মাসের রাজস্ব আহরণ অগ্রগতি ও পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত Logo বাড্ডায় ৭৩ কেজি গাঁজাসহ মাদক কারবারি গ্রেফতার Logo নওগাঁয় দুর্নীতির তথ্য সংগ্রহের সময় সাংবাদিকের উপর হামলা:মামলার পরও গ্রেফতার হয়নি কেউ Logo খুন মামলার রহস্য উম্মোচন,খুনের ঘটনায় ব্যবহৃত আলামত কাঁচি উদ্ধার গ্রেফতার ১ Logo মধ্যনগরে নাতে রাসুল ও কোরআন তেলাওয়াতের মধ্য দিয়ে ফারিয়া আক্তার ফ্যাশন হাউজের উদ্বোধন

দেশের খাদ্য পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক- খাদ্য উপদেষ্টা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:৫৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫
  • ৫৫০ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি, ২০ জুন,২০২৫, শুক্রবার, পটুয়াখালী জেলার সার্কিট  হাউসে অনুষ্ঠিত চলতি মৌসুমের বোরো সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন,  মজুদ ও বিতরণ বিষয়ে  পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার খাদ্য অধিদপ্তরের  কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার এসব কথা বলেন।

মতবিনিময় সভায় পটুয়াখালী জেলার বোরো সংগ্রহের ধান ও চালের লক্ষ্যমাত্রা যথাক্রমে ১ হাজার ৯২৫ মেট্রিক টন এবং ৫ হাজার ৬৯৫মেট্রিক টন।  ইতোমধ্যে ১ হাজার ৯২৫ মেট্রিক টন ধান এবং ৪ হাজার ৯৯৭মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ হয়েছে। বরগুনা জেলার বোরো ধান ও চালের লক্ষ্যমাত্রা যথাক্রমে ৫ শত মেট্রিক টন এবং ১ হাজার ৫১৩ মেট্রিক টন। ইতোমধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ৫ শত মেট্রিক টন ধান  এবং ১ হাজার ৩৪৯ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়াও বরগুনা জেলার ০৬ টি এলএসডি’র ধারণ ক্ষমতা ১৫ হাজার মেট্রিক টন
মর্মে মতবিনিময় সভায় জানানো হয়।

খাদ্য উপদেষ্টা বলেন,দেশে বোরোধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। দেশে খাদ্য পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক। তবে আমরা  সন্তোষজনক অবস্থানে কখনো ঠিক থাকতে পারি না। কারণ এটা ক্রমগত খরচ হচ্ছে আবার ক্রমগত যোগও হচ্ছে। এবার বোরো আবাদ যেমন ভালো হয়েছে, আমনটাও যদি ভালো হয় তাহলে বিদেশ থেকে আর চাল আমদানি করতে হবে না। জেলার খাদ্য সংগ্রহ এবং বিতরণে জেলা প্রশাসকগনকে ক্লোজ মনিটরিং করার জন্য নির্দেশনা দেন । এ ছাড়াও দুর্যোগ প্রবণ জেলা হিসেবে পটুয়াখালী ও বরগুনাকে বিশেষ বিবেচনায় নিয়ে খাদ্য সরবরাহ চ্যানেল নিরবিচ্ছিন্ন রাখার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন,বোরো মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে  সাড়ে ১৭ লাখ টন ধান ও চাল সংগ্রহ করা হবে। এরমধ্যে সাড়ে তিন লাখ টন ধান ও ১৪ লাখ টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষককে প্রাইস সাপোর্ট দেওয়ার জন্য
গত বছরের তুলনায় কেজিপ্রতি ৪ টাকা বৃদ্ধি করে ধান ৩৬ টাকা এবং চাল ৪৯ টাকা কেজি দরে কেনা হচ্ছে। ২৪ এপ্রিল থেকে সারাদেশে বোরো মৌসুমের ধান-চাল কেনা শুরু হয়েছে এবং এ সংগ্রহ অভিযান  ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে ।

খাদ্য উপদেষ্ঠা  আরও বলেন,অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী দামে খাদ্য নিশ্চিত করতে আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে খাদ্য ভর্তুকিতে বরাদ্দ বাড়িয়ে ৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকার বরাদ্দের প্রস্তাব করেছে। চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে খাদ্য ভর্তুকিতে বরাদ্দ রয়েছে  ৮ হাজার ৫৯ কোটি টাকা। সরকার ওএমএস  এবং টিসিবি মাধ্যমে খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে। আগামী অর্থবছরে এসব কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগী পরিবারের সংখ্যা ৫০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৫৫ লাখে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি পরিবারকে মাসে ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি চাল দেওয়া হবে। বর্তমানে এ কার্যক্রম বছরে পাঁচ মাস চালু আছে,আগামী অর্থবছর থেকে পাঁচ মাসের স্থলে ছয় মাস চালু থাকবে।
পটুয়াখালী জেলার জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীনের সভাপতিত্বে  বরিশাল বিভাগের  আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্ররক,পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার ডিসি ফুডসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

বিশেষ অভিযানে বিভিন্ন অপরাধে জড়িত ১২ জনকে গ্রেফতার করেছে মোহাম্মদপুর থানা পুলিশ

দেশের খাদ্য পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক- খাদ্য উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৫:৫৩:৩৫ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ জুন ২০২৫

আলী আহসান রবি, ২০ জুন,২০২৫, শুক্রবার, পটুয়াখালী জেলার সার্কিট  হাউসে অনুষ্ঠিত চলতি মৌসুমের বোরো সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন,  মজুদ ও বিতরণ বিষয়ে  পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার খাদ্য অধিদপ্তরের  কর্মকর্তাদের সাথে মতবিনিময় সভায় খাদ্য ও ভূমি উপদেষ্টা আলী ইমাম মজুমদার এসব কথা বলেন।

মতবিনিময় সভায় পটুয়াখালী জেলার বোরো সংগ্রহের ধান ও চালের লক্ষ্যমাত্রা যথাক্রমে ১ হাজার ৯২৫ মেট্রিক টন এবং ৫ হাজার ৬৯৫মেট্রিক টন।  ইতোমধ্যে ১ হাজার ৯২৫ মেট্রিক টন ধান এবং ৪ হাজার ৯৯৭মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ হয়েছে। বরগুনা জেলার বোরো ধান ও চালের লক্ষ্যমাত্রা যথাক্রমে ৫ শত মেট্রিক টন এবং ১ হাজার ৫১৩ মেট্রিক টন। ইতোমধ্যে লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ৫ শত মেট্রিক টন ধান  এবং ১ হাজার ৩৪৯ মেট্রিক টন চাল সংগ্রহ করা হয়েছে। এছাড়াও বরগুনা জেলার ০৬ টি এলএসডি’র ধারণ ক্ষমতা ১৫ হাজার মেট্রিক টন
মর্মে মতবিনিময় সভায় জানানো হয়।

খাদ্য উপদেষ্টা বলেন,দেশে বোরোধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। দেশে খাদ্য পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক। তবে আমরা  সন্তোষজনক অবস্থানে কখনো ঠিক থাকতে পারি না। কারণ এটা ক্রমগত খরচ হচ্ছে আবার ক্রমগত যোগও হচ্ছে। এবার বোরো আবাদ যেমন ভালো হয়েছে, আমনটাও যদি ভালো হয় তাহলে বিদেশ থেকে আর চাল আমদানি করতে হবে না। জেলার খাদ্য সংগ্রহ এবং বিতরণে জেলা প্রশাসকগনকে ক্লোজ মনিটরিং করার জন্য নির্দেশনা দেন । এ ছাড়াও দুর্যোগ প্রবণ জেলা হিসেবে পটুয়াখালী ও বরগুনাকে বিশেষ বিবেচনায় নিয়ে খাদ্য সরবরাহ চ্যানেল নিরবিচ্ছিন্ন রাখার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
তিনি বলেন,বোরো মৌসুমে অভ্যন্তরীণ বাজার থেকে  সাড়ে ১৭ লাখ টন ধান ও চাল সংগ্রহ করা হবে। এরমধ্যে সাড়ে তিন লাখ টন ধান ও ১৪ লাখ টন চাল সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। কৃষককে প্রাইস সাপোর্ট দেওয়ার জন্য
গত বছরের তুলনায় কেজিপ্রতি ৪ টাকা বৃদ্ধি করে ধান ৩৬ টাকা এবং চাল ৪৯ টাকা কেজি দরে কেনা হচ্ছে। ২৪ এপ্রিল থেকে সারাদেশে বোরো মৌসুমের ধান-চাল কেনা শুরু হয়েছে এবং এ সংগ্রহ অভিযান  ৩১ আগস্ট পর্যন্ত চলবে ।

খাদ্য উপদেষ্ঠা  আরও বলেন,অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দরিদ্র ও নিম্ন আয়ের মানুষের জন্য সাশ্রয়ী দামে খাদ্য নিশ্চিত করতে আগামী ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বাজেটে খাদ্য ভর্তুকিতে বরাদ্দ বাড়িয়ে ৯ হাজার ৫০০ কোটি টাকার বরাদ্দের প্রস্তাব করেছে। চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে খাদ্য ভর্তুকিতে বরাদ্দ রয়েছে  ৮ হাজার ৫৯ কোটি টাকা। সরকার ওএমএস  এবং টিসিবি মাধ্যমে খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম সম্প্রসারণ করেছে। আগামী অর্থবছরে এসব কর্মসূচির আওতায় উপকারভোগী পরিবারের সংখ্যা ৫০ লাখ থেকে বাড়িয়ে ৫৫ লাখে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিটি পরিবারকে মাসে ১৫ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি চাল দেওয়া হবে। বর্তমানে এ কার্যক্রম বছরে পাঁচ মাস চালু আছে,আগামী অর্থবছর থেকে পাঁচ মাসের স্থলে ছয় মাস চালু থাকবে।
পটুয়াখালী জেলার জেলা প্রশাসক আবু হাসনাত মোহাম্মদ আরেফীনের সভাপতিত্বে  বরিশাল বিভাগের  আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্ররক,পটুয়াখালী ও বরগুনা জেলার ডিসি ফুডসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন।