ঢাকা ০২:০২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় স্বাধীনভাবে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা Logo রাজধানীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo প্রধান উপদেষ্টার নিকট ‘নজরদারি প্রযুক্তির সংগ্রহ ও ব্যবহার পর্যালোচনা কমিটি’র চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর Logo স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অপারেশন কন্ট্রোল রুম ও ডিএমপি’র থানা পরিদর্শন Logo ভয়েস ফর জাস্টিস অবজারভার্স টিমের প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাৎ Logo বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন ৩৯৪ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক, ১৯৭ জন বিদেশী সাংবাদিক Logo প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আনফ্রেল-এর নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo শুভেচ্ছা’ ও ‘দ্রুত টিকেট’-এর যাত্রা শুরু Logo নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যা আইল্যান্ড ইকোপার্ক উদ্বোধন করলেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা
মানিকগঞ্জ ও রাজবাড়িতে পাট অধিদপ্তরের অভিযান; মজুদে থাকা হাজারো মন পাট বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দেশের দুই জেলায় পাটের অবৈধ মজুদের বিরুদ্ধে অভিযান

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪২ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে দেশের বাজারে পাটের সরবরাহ নিশ্চিতে এবং পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি বেগবান করতে দুই জেলাতে পাটের অবৈধ মজুদদারির বিরুদ্ধে এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে পাট অধিদপ্তর। মানিকগঞ্জ ও রাজবাড়িতে পাট অধিদপ্তর জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এ অভিযানে মজুদকারীদের বিরুদ্ধে এ অভিযান করে ও মজুদে থাকা পাট দ্রুত বিক্রির আদেশ করে।

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার ঘিওর বাজারের ব্যবসায়ী দুলাল চন্দ্র সাহার গুদামে ১৫০০ মন পাট মজুদ পাওয়া যায়। অতিরিক্ত পাট বিক্রির জন্য ১০ দিন সময় দিয়ে মুচলেকা নেওয়া হয়। এদিকে মেসার্স সামেজ উদ্দিন ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী নুরুল হকের গুদামজাত ১৫০০ মন পাট মজুদ রাখায় ৭ দিনের মধ্যে তা বিক্রির মুচলেকা নেওয়া হয়েছে। এখানে উল্লেখ থাকে যে,১ হাজার মনের বেশি পাট মজুদ করা আইনগত অবৈধ।

মানিকগঞ্জ জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শায়খ শিহাব উদ্দিন ও মুনতাছির মামুন মনি এ অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় পাট অধিদপ্তর, নারায়নগঞ্জ এর সহকারী পরিচালক মাহবুব হোসেন, পাট অধিদপ্তর মানিকগঞ্জের পরিদর্শক আশিক কুমার ভৌমিক, উপসহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা -দেলোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে, রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর বাজারে পাটের অবৈধ মজুদের বিরুদ্ধে অভিযানে পাট ব্যবসায়ী চন্দন কুমারের গুদামে ৭৫০মন পাট ; গোবিন্দ কুন্ডুর গুদামে ২৫০ মন; গোবিন্দ চন্দ্রের গুদামে ৪৫০ মন; গোলাম রব্বানীর গুদামে ৭০০ মন; নুর মোহাম্মাদের গুদামে ৮৫০ মন; কামাল হোসেনের গুদামে ৯০০মন পাট পাওয়া যায়। এদের ৭-১৫ দিনের মধ্যে পাট বিক্রির আদেশ করা হয়।

পরবর্তীতে পাংশা উপজেলার মাছপাড়া ও বনগ্রাম বাজারে অভিযানে বাসুদেব ও দীপক দাসের যৌথ মালিকানাধীন গুদামে মোট ১,৯০০ মন পাট এবং সুদীপ্ত কুমার, আব্দুল হাকিম ও তহমিনা খাতুনের যৌথ মালিকানাধীন গুদামে ২,০০০ মন পাট মজুদ পাওয়া যায়। উক্ত ব্যবসায়ীদেরও ৭ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পাট বিক্রির নির্দেশ প্রদান করা হয় এবং এ বিষয়ে তাদের নিকট থেকে অঙ্গীকারনামা নেয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ বিলকিস জাহান রিমি বলেন,’ অবৈধ মজুদদারি পাটখাত ও দেশের রপ্তানি খাতের জন্য ক্ষতিকারক। অতিরিক্ত লাভের আশায় একটি অসাধু চক্র মজুদ করে থাকে। পাটজাত পণ্য উৎপাদনখাত আরো বেগবান করতে আর পাটের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এ অভিযান চলবে। ”

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় স্বাধীনভাবে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

মানিকগঞ্জ ও রাজবাড়িতে পাট অধিদপ্তরের অভিযান; মজুদে থাকা হাজারো মন পাট বিক্রির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

দেশের দুই জেলায় পাটের অবৈধ মজুদের বিরুদ্ধে অভিযান

আপডেট সময় ১২:৩৫:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬

আলী আহসান রবি : বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে দেশের বাজারে পাটের সরবরাহ নিশ্চিতে এবং পাট ও পাটজাত পণ্য রপ্তানি বেগবান করতে দুই জেলাতে পাটের অবৈধ মজুদদারির বিরুদ্ধে এক বিশেষ অভিযান পরিচালনা করেছে পাট অধিদপ্তর। মানিকগঞ্জ ও রাজবাড়িতে পাট অধিদপ্তর জেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) এ অভিযানে মজুদকারীদের বিরুদ্ধে এ অভিযান করে ও মজুদে থাকা পাট দ্রুত বিক্রির আদেশ করে।

মানিকগঞ্জের ঘিওর উপজেলার ঘিওর বাজারের ব্যবসায়ী দুলাল চন্দ্র সাহার গুদামে ১৫০০ মন পাট মজুদ পাওয়া যায়। অতিরিক্ত পাট বিক্রির জন্য ১০ দিন সময় দিয়ে মুচলেকা নেওয়া হয়। এদিকে মেসার্স সামেজ উদ্দিন ট্রেডার্স এর স্বত্বাধিকারী নুরুল হকের গুদামজাত ১৫০০ মন পাট মজুদ রাখায় ৭ দিনের মধ্যে তা বিক্রির মুচলেকা নেওয়া হয়েছে। এখানে উল্লেখ থাকে যে,১ হাজার মনের বেশি পাট মজুদ করা আইনগত অবৈধ।

মানিকগঞ্জ জেলার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শায়খ শিহাব উদ্দিন ও মুনতাছির মামুন মনি এ অভিযান পরিচালনা করেন। এসময় পাট অধিদপ্তর, নারায়নগঞ্জ এর সহকারী পরিচালক মাহবুব হোসেন, পাট অধিদপ্তর মানিকগঞ্জের পরিদর্শক আশিক কুমার ভৌমিক, উপসহকারী পাট উন্নয়ন কর্মকর্তা -দেলোয়ার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

অন্যদিকে, রাজবাড়ী সদর উপজেলার খানখানাপুর বাজারে পাটের অবৈধ মজুদের বিরুদ্ধে অভিযানে পাট ব্যবসায়ী চন্দন কুমারের গুদামে ৭৫০মন পাট ; গোবিন্দ কুন্ডুর গুদামে ২৫০ মন; গোবিন্দ চন্দ্রের গুদামে ৪৫০ মন; গোলাম রব্বানীর গুদামে ৭০০ মন; নুর মোহাম্মাদের গুদামে ৮৫০ মন; কামাল হোসেনের গুদামে ৯০০মন পাট পাওয়া যায়। এদের ৭-১৫ দিনের মধ্যে পাট বিক্রির আদেশ করা হয়।

পরবর্তীতে পাংশা উপজেলার মাছপাড়া ও বনগ্রাম বাজারে অভিযানে বাসুদেব ও দীপক দাসের যৌথ মালিকানাধীন গুদামে মোট ১,৯০০ মন পাট এবং সুদীপ্ত কুমার, আব্দুল হাকিম ও তহমিনা খাতুনের যৌথ মালিকানাধীন গুদামে ২,০০০ মন পাট মজুদ পাওয়া যায়। উক্ত ব্যবসায়ীদেরও ৭ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পাট বিক্রির নির্দেশ প্রদান করা হয় এবং এ বিষয়ে তাদের নিকট থেকে অঙ্গীকারনামা নেয়া হয়।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের সচিব মিজ বিলকিস জাহান রিমি বলেন,’ অবৈধ মজুদদারি পাটখাত ও দেশের রপ্তানি খাতের জন্য ক্ষতিকারক। অতিরিক্ত লাভের আশায় একটি অসাধু চক্র মজুদ করে থাকে। পাটজাত পণ্য উৎপাদনখাত আরো বেগবান করতে আর পাটের বাজার স্থিতিশীল রাখতে এ অভিযান চলবে। ”