
পুরুষ নারীর কিচ্ছা হলো
এলো নির্বাচনী ইচ্ছা গুলো
শোনেন সেটা।
যতই পুরুষ নাচো কোচো
ভাবছো বুঝি হাতের মাপ
হাতেই আছে।
মাপের গলায় দড়ি পরাবে
সস্তা গুড়ের খাজা পায়ছো?
এবার দেখো!
নারীর ঠকানো জ্ঞান বিদ্যা
দুমড়ে মুচকে কেমনে যায়
সেটাই বুঝো!
যব্দ এবার হবেই পুরুষ
সবকিছুতে অর্ধেক দেবে
নইলে সাজা!
বাপের জিনিস ডবল নিচ্ছ
ভালোই করছো খুব ভালো
অন্যান্য কেন?
প্লেন মেট্রোরেল বাসের সিট
সমান সমান দাও না কেন?
কিসে সমস্যা?
রাজনীতির মাঠেও স্থান কম
পুরুষ নারী সমান থাকলে
কিসের ক্ষতি?
বাপের জিনিস ছাড়লোইবা
সবকিছুই কি ছাড়তে হবে?
কোন কারনে?
রাজনীতির মাঠ পথ ঘাট
নারীর অর্ধেক রাখতে হবে
ছাড়তে হবে।
পাঁচ বছর পুরুষ চালাক
পাঁচ বছর নারী চালাক
দেশের গদি।
গদির নাম বাপরে বাপ
পুরুষ আর পাবেনা মাপ
এতই সস্তা!
না যদি দাও এ অধিকার
পুরুষরা মরবে জ্যান্ত মরা
হাতানি ঘাতে!
হাতানি ঘাতেই মাকে খেদাও
হাতানি ঘাতে দেশও ছাড়ো
পুরুষ জাতি।
জব্দ করতেও নারী জানে
দয়ায় মায়ায় যা করেনাই
করতে পারে।
দুর্বল এত কেন ভাবো পুরুষ?
নারীর এত শক্ত তোমরা নয়!
হিসাব রেখো।
চিন্তাও করতে পারবে না
নারীর মার ধারণার বার
বুঝবে মজা।
বাবাকেও তো খেদাও তোমরা
নারীরা কিন্তু সেটা করে না!?
পরীক্ষা করো।
স্ত্রীকে বলো তো তোমার মা
তোমার বাবা জঘন্য খারাপ
দেখো কি বলে?
অবাধে স্ত্রী যা স্বামীকে বলে
স্বামী বেচারার ক্ষমতাও নাই
পাল্টা বলার।
পুরুষ মা-বাবাকে তারাই
ও অশ্রদ্ধা অসম্মান করে
কার বুদ্ধিতে?
নিজ বাবা মাকেও দেখে না
বলতে পারো কার ইঙ্গিতে?
সেবোধ নাই!
নারীরই বুদ্ধিতে কি ঠিক?!
তাহলে আর বাহাদুরি কি!
নারীই সব।
পুরুষ শাসিত সমাজ নামে
নারীর কাছে পুরুষ ভোতা!
আসল বোকা।
পুরুষ নারীর কিচ্ছা কাহিনী
দেখতে আর ভালো লাগেনা
আসান হোক।
লেখিকা : সম্পাদক সৈয়দা রাশিদা বারী।
নিজস্ব সংবাদ : 
























