ঢাকা ০৩:৫২ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo যশোরের তারাগঞ্জ থেকে ৯০০ গ্রাম স্বর্ণসহ এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বিজিবি Logo মোবাইল ইউনিটে গ্রামেই হবে হৃদরোগের জটিল চিকিৎসা….স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত Logo চিকিৎসকদের নিরাপত্তায় ৫০০  হাসপাতালে মোতায়েন হচ্ছে ১০ জন করে আনসার….স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাবেক সচিব মাহবুবুর রহমানের স্মরণসভা অনুষ্ঠিত Logo বাংলাদেশ–অস্ট্রেলিয়া বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা জোরদারে বৈঠক Logo যথাযোগ্য মর্যাদায় রবীন্দ্র ও নজরুল জন্মবার্ষিকী উদযাপনের প্রস্তুতি গ্রহণ Logo জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গড়তে গ্রন্থাগারিকরা হলেন সমাজের ‘মিশনারি – সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী Logo ব্রাসেলস আলোচনা বাংলাদেশ-ইইউ এবং বাংলাদেশ-বেলজিয়াম ক্রমবর্ধমান সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করেছে Logo হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে আধুনিক এয়ার ট্রাফিক ম্যানেজমেন্ট সেন্টারের উদ্বোধন: আঞ্চলিক এভিয়েশন হাবের পথে নতুন অগ্রযাত্রা Logo টোলারবাগ খাল খনন কার্যক্রমের উদ্বোধন করলেন ডিএনসিসি প্রশাসক

বান্দাহ যখন সত্যিকারার্থে অনুতপ্ত হয় তখন আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন- ছারছীনার পীর ছাহেব

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৯:২৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • ৫৯২ বার পড়া হয়েছে

আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতি শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমাদ হুসাইন (মা.জি.আ.) বলেছেন- আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল। তিনি বান্দাকে ক্ষমা করতে বড়ই ভালোবাসেন। ক্ষমা করার জন্য নানা অজুহাত খোঁজেন। মনে রাখতে হবে ক্ষণিকের এ দুনিয়ার জীবন মানুষের জন্য পরীক্ষাক্ষেত্র। শয়তান ও নফসে আম্মারা বা কুপ্রবৃত্তি মানুষকে পাপাচারে লিপ্ত করার জন্য অনবরত চেষ্টা করতে থাকে। একজন সুস্থ বিবেকের অধিকারী মানুষ মূলত খারাপ হতে চায় না। এরপরও প্রবৃত্তির তাড়নায় ও শয়তানের ধোঁকায় পড়ে মানুষ খারাপ কাজ করে ফেলে। গুনাহগার যখনই যথাযথভাবে লজ্জিত হয়, গুনাহ ছেড়ে দেয়, খাঁটি তওবা করে এবং বান্দা যদি সত্যিকারভাবে অনুতপ্ত হয় এবং ক্ষমা চায় তখন আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন। এককথায় মহান আল্লাহ তাঁর অফুরন্ত রহমত দ্বারা গুনাহগার বান্দাকে ক্ষমা করে দেন। গতকাল কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলাধীন মেষপড়াস্থ পাশাকোট দ্বীনিয়া মাদ্রাসা ময়দানে বাহরে শরীয়ত, মুজাদ্দিদে যামান আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ (রহ.) এর স্মরণে দুইদিনব্যাপী ঈছালে ছাওয়াব ওয়াজ মাহফিলের শেষ দিন শুক্রবার বাদ জুময়া আখেরী মুনাজাতের পূর্ব আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা আগত মেহমানদের উদ্দেশ্যে একথা বলেন। মাহফিলে প্রথম দিন জিকিরের তা’লীম ও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ মুফতি শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ এবং স্থানীয় বিভিন্ন ওলামায়ে কেরাম। দ্বিতীয় দিন আলোচনা করেন- ছারছীনা আলিয়া মাদ্রাসার মুহাদ্দিস হাফেজ মাওলানা মোঃ বোরহান উদ্দীন ছালেহী, ছারছীনা দারুচ্ছুন্নাত জামেয়া-এ-নেছারিয়া দ্বীনিয়ার মুহাদ্দিস মাওলানা মোঃ মুহিব্বুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমূখ। পরিশেষে হযরত পীর ছাহেব কেবলা দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ ও শান্তি কামনা করে ও বিশেষ করে এলাকার মুর্দেগাণদের জন্য আখেরী মুনাজাত পরিচালনা করেন।

ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

যশোরের তারাগঞ্জ থেকে ৯০০ গ্রাম স্বর্ণসহ এক ভারতীয় নাগরিককে আটক করেছে বিজিবি

বান্দাহ যখন সত্যিকারার্থে অনুতপ্ত হয় তখন আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন- ছারছীনার পীর ছাহেব

আপডেট সময় ০৯:২৭:৫৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ১৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

আমীরে হিযবুল্লাহ ছারছীনা শরীফের পীর ছাহেব আলহাজ্ব হযরত মাওলানা মুফতি শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমাদ হুসাইন (মা.জি.আ.) বলেছেন- আল্লাহ পরম ক্ষমাশীল। তিনি বান্দাকে ক্ষমা করতে বড়ই ভালোবাসেন। ক্ষমা করার জন্য নানা অজুহাত খোঁজেন। মনে রাখতে হবে ক্ষণিকের এ দুনিয়ার জীবন মানুষের জন্য পরীক্ষাক্ষেত্র। শয়তান ও নফসে আম্মারা বা কুপ্রবৃত্তি মানুষকে পাপাচারে লিপ্ত করার জন্য অনবরত চেষ্টা করতে থাকে। একজন সুস্থ বিবেকের অধিকারী মানুষ মূলত খারাপ হতে চায় না। এরপরও প্রবৃত্তির তাড়নায় ও শয়তানের ধোঁকায় পড়ে মানুষ খারাপ কাজ করে ফেলে। গুনাহগার যখনই যথাযথভাবে লজ্জিত হয়, গুনাহ ছেড়ে দেয়, খাঁটি তওবা করে এবং বান্দা যদি সত্যিকারভাবে অনুতপ্ত হয় এবং ক্ষমা চায় তখন আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন। এককথায় মহান আল্লাহ তাঁর অফুরন্ত রহমত দ্বারা গুনাহগার বান্দাকে ক্ষমা করে দেন। গতকাল কুমিল্লা জেলার চৌদ্দগ্রাম উপজেলাধীন মেষপড়াস্থ পাশাকোট দ্বীনিয়া মাদ্রাসা ময়দানে বাহরে শরীয়ত, মুজাদ্দিদে যামান আলহাজ্ব হযরত মাওলানা শাহ্ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ (রহ.) এর স্মরণে দুইদিনব্যাপী ঈছালে ছাওয়াব ওয়াজ মাহফিলের শেষ দিন শুক্রবার বাদ জুময়া আখেরী মুনাজাতের পূর্ব আলোচনায় হযরত পীর ছাহেব কেবলা আগত মেহমানদের উদ্দেশ্যে একথা বলেন। মাহফিলে প্রথম দিন জিকিরের তা’লীম ও গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন- বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর সিনিয়র নায়েবে আমীর আলহাজ্ব হযরত মাওলানা হাফেজ মুফতি শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ এবং স্থানীয় বিভিন্ন ওলামায়ে কেরাম। দ্বিতীয় দিন আলোচনা করেন- ছারছীনা আলিয়া মাদ্রাসার মুহাদ্দিস হাফেজ মাওলানা মোঃ বোরহান উদ্দীন ছালেহী, ছারছীনা দারুচ্ছুন্নাত জামেয়া-এ-নেছারিয়া দ্বীনিয়ার মুহাদ্দিস মাওলানা মোঃ মুহিব্বুল্লাহ আল মাহমুদ প্রমূখ। পরিশেষে হযরত পীর ছাহেব কেবলা দেশ, জাতি ও মুসলিম উম্মাহর সার্বিক কল্যাণ ও শান্তি কামনা করে ও বিশেষ করে এলাকার মুর্দেগাণদের জন্য আখেরী মুনাজাত পরিচালনা করেন।