ঢাকা ০৬:২৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাদ্দামকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ Logo সততা, দায়িত্ববোধ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী Logo কোরবানির হাটের বর্জ্য অপসারণ শেষে তেজগাঁওয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন Logo ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত…স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo দুধ উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি নির্ভরতা কমাতে হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী Logo মধ্যনগরে ১০২ হাফেজকে সংবর্ধনা দিল ইসলামি ছাত্র পরিষদ Logo হরিপুরে দগ্ধ নারীর মরদেহ উদ্ধার, আতঙ্কিত এলাকাবাসী Logo পদ্মা ও যমুনা সেতুতে আধুনিক ইটিসি প্রযুক্তির সুফল : ঈদুল আযহার ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা ছিল নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন Logo লিবিয়া থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন Logo কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের খোঁজ নিতে ঝটিকা সফরে ভোলায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের গর্বিত অংশীদার বাংলাদেশ পুলিশ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:১২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫
  • ৫৮২ বার পড়া হয়েছে
নিউজ ডেস্ক: আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৯ মে) আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৫। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদযাপিত হবে।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের পদযাত্রা সূচিত হয় ১৯৮৯ সালে নামিবিয়া মিশনের মাধ্যমে। শুরু থেকে আজ অবধি বাংলাদেশ পুলিশের ২১ হাজার ৮১৫ জন শান্তিরক্ষী ২৪টি দেশে ২৬টি মিশনে পেশাদারত্ব ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশ্ব শান্তিরক্ষায় জীবন উৎসর্গ করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের ২৪ জন শান্তিরক্ষী।
বর্তমানে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, সাউথ সুদান ও সেন্ট্রাল আফ্রিকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের ১২৮ জন পুরুষ ও ৭১ জন নারীসহ ১৯৯ জন শান্তিরক্ষী নিয়োজিত রয়েছেন।
বাংলাদেশ পুলিশের নারী সদস্যগণ বিগত ২০০০ সাল থেকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছেন। ইতোমধ্যে ১ হাজার ৯২৭ জন নারী পুলিশ শান্তিরক্ষী বিভিন্ন শান্তিরক্ষা মিশনে সফলতার সাথে দায়িত্ব সম্পন্ন করেছেন।
১৯৮৯ সালের পূর্বে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশ পুলিশের কাজ করার কোন ধরনের সুযোগ ঘটেনি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দায়িত্ব পালনের ফলে বাংলাদেশের পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন দেশের পুলিশিং সম্পর্কে জানার সুযোগ ঘটেছে, অনেক দেশের পুলিশের সাথে অভিজ্ঞতা বিনিময় হয়েছে। এ ধরণের বহুমাত্রিকতায় পুলিশ সদস্যরা নিজেদের মধ্যে পরিবর্তনের এক ধরনের তাড়না অনুভব করেন, যার ফলে তাদের মনোজগতে বড় ধরনের পরিবর্তন সাধিত হয়। তারা ঔপনিবেশিক ধ্যান-ধারণা ও পুলিশিং থেকে বেরিয়ে গণতান্ত্রিক ধারায় জনমুখী পুলিশিংয়ের প্রতি উদ্বুদ্ধ হন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন পুলিশ সদস্যদেরকে মানুষের আরো কাছে যেতে, তাদের প্রতি আরো দায়বদ্ধ হতে শিখিয়েছে।
বাংলাদেশ পুলিশের আজকের জনমুখী পুলিশিংয়ের প্রত্যাশার পেছনে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে দায়িত্ব পালনের অনন্য সুযোগ, অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার গুরুত্ব রয়েছে।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ পুলিশের গৌরবোদীপ্ত ও অনন্য সাধারণ ভূমিকা বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ও মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে।
দেশের অভ্যন্তরে পুলিশি সেবা প্রদানের ব্রত নিয়ে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জাতিসংঘের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত থেকে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ পুলিশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
ট্যাগস :
আপলোডকারীর তথ্য

জনপ্রিয় সংবাদ

হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাদ্দামকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ

জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমের গর্বিত অংশীদার বাংলাদেশ পুলিশ

আপডেট সময় ১২:১২:৫৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫
নিউজ ডেস্ক: আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৯ মে) আন্তর্জাতিক জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী দিবস-২০২৫। বিশ্বের অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশেও যথাযোগ্য মর্যাদায় দিবসটি উদযাপিত হবে।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের পদযাত্রা সূচিত হয় ১৯৮৯ সালে নামিবিয়া মিশনের মাধ্যমে। শুরু থেকে আজ অবধি বাংলাদেশ পুলিশের ২১ হাজার ৮১৫ জন শান্তিরক্ষী ২৪টি দেশে ২৬টি মিশনে পেশাদারত্ব ও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেছেন। বিশ্ব শান্তিরক্ষায় জীবন উৎসর্গ করেছেন বাংলাদেশ পুলিশের ২৪ জন শান্তিরক্ষী।
বর্তমানে ডেমোক্রেটিক রিপাবলিক অব কঙ্গো, সাউথ সুদান ও সেন্ট্রাল আফ্রিকায় জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের ১২৮ জন পুরুষ ও ৭১ জন নারীসহ ১৯৯ জন শান্তিরক্ষী নিয়োজিত রয়েছেন।
বাংলাদেশ পুলিশের নারী সদস্যগণ বিগত ২০০০ সাল থেকে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করছেন। ইতোমধ্যে ১ হাজার ৯২৭ জন নারী পুলিশ শান্তিরক্ষী বিভিন্ন শান্তিরক্ষা মিশনে সফলতার সাথে দায়িত্ব সম্পন্ন করেছেন।
১৯৮৯ সালের পূর্বে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে বাংলাদেশ পুলিশের কাজ করার কোন ধরনের সুযোগ ঘটেনি। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে দায়িত্ব পালনের ফলে বাংলাদেশের পুলিশ সদস্যদের বিভিন্ন দেশের পুলিশিং সম্পর্কে জানার সুযোগ ঘটেছে, অনেক দেশের পুলিশের সাথে অভিজ্ঞতা বিনিময় হয়েছে। এ ধরণের বহুমাত্রিকতায় পুলিশ সদস্যরা নিজেদের মধ্যে পরিবর্তনের এক ধরনের তাড়না অনুভব করেন, যার ফলে তাদের মনোজগতে বড় ধরনের পরিবর্তন সাধিত হয়। তারা ঔপনিবেশিক ধ্যান-ধারণা ও পুলিশিং থেকে বেরিয়ে গণতান্ত্রিক ধারায় জনমুখী পুলিশিংয়ের প্রতি উদ্বুদ্ধ হন। জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে দায়িত্ব পালন পুলিশ সদস্যদেরকে মানুষের আরো কাছে যেতে, তাদের প্রতি আরো দায়বদ্ধ হতে শিখিয়েছে।
বাংলাদেশ পুলিশের আজকের জনমুখী পুলিশিংয়ের প্রত্যাশার পেছনে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে দায়িত্ব পালনের অনন্য সুযোগ, অর্জিত জ্ঞান ও অভিজ্ঞতার গুরুত্ব রয়েছে।
জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে বাংলাদেশ পুলিশের গৌরবোদীপ্ত ও অনন্য সাধারণ ভূমিকা বিশ্ব দরবারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ও মর্যাদা বৃদ্ধি করেছে।
দেশের অভ্যন্তরে পুলিশি সেবা প্রদানের ব্রত নিয়ে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি জাতিসংঘের ম্যান্ডেট বাস্তবায়নের মাধ্যমে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা কার্যক্রমে নিয়োজিত থেকে বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় বাংলাদেশ পুলিশ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।