ঢাকা ০২:২৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬, ২ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় স্বাধীনভাবে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা Logo রাজধানীর বিভিন্ন ভোটকেন্দ্র পরিদর্শনে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo জাতীয় নির্বাচনে ভোট দিলেন স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা Logo প্রধান উপদেষ্টার নিকট ‘নজরদারি প্রযুক্তির সংগ্রহ ও ব্যবহার পর্যালোচনা কমিটি’র চূড়ান্ত প্রতিবেদন হস্তান্তর Logo স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের অপারেশন কন্ট্রোল রুম ও ডিএমপি’র থানা পরিদর্শন Logo ভয়েস ফর জাস্টিস অবজারভার্স টিমের প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাৎ Logo বাংলাদেশের নির্বাচন পর্যবেক্ষণ করবেন ৩৯৪ জন আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক, ১৯৭ জন বিদেশী সাংবাদিক Logo প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে আনফ্রেল-এর নির্বাচন পর্যবেক্ষক দলের সৌজন্য সাক্ষাৎ Logo শুভেচ্ছা’ ও ‘দ্রুত টিকেট’-এর যাত্রা শুরু Logo নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে শীতলক্ষ্যা আইল্যান্ড ইকোপার্ক উদ্বোধন করলেন নৌপরিবহন উপদেষ্টা
কক্সবাজার-১ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনী মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, প্রকাশ হলো তার সম্পদের বিস্তৃত হিসাব।

সালাহউদ্দিন আহমেদের বার্ষিক আয় ৬ কোটি ২১ লাখ টাকা শুক্রবার, ০২ জানুয়ারি ২০২৬

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:২৭:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫৪ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : কক্সবাজার-১ (চকরিয়া ও পেকুয়া) আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত আয়-ব্যয়ের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ করবর্ষে সালাহউদ্দিন আহমেদের মোট বার্ষিক আয় আনুমানিক ৬ কোটি ২১ লাখ ৮৩ হাজার ৬২৭ টাকা। এ সময়ে তার মোট ব্যয় দেখানো হয়েছে ৩৬ লাখ ৬৮ হাজার ৫৫৯ টাকা।

হলফনামায় উল্লেখ করা হয়, তার আয়ের প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে রয়েছে কৃষিখাত থেকে ৬ লাখ টাকা, স্থাবর সম্পত্তি ভাড়া থেকে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা, পেকুয়া লাইভস্টক ফিশারিজ ফার্ম থেকে ৫ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। এছাড়া ব্যাংক আমানত থেকে ১১ হাজার ৩২৬ টাকা, কোম্পানির পরিচালক হিসেবে সম্মানি বাবদ ২৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা আয় করেন তিনি। জমি বিক্রির মাধ্যমে তার সর্বোচ্চ আয় হয়েছে। যার পরিমাণ ৫ কোটি ৮০ লাখ ২৭ হাজার ৩১১ টাকা।

নগদ সম্পদের হিসাবে সালাহউদ্দিন আহমেদের কাছে রয়েছে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫২ হাজার ৬৭ টাকা এবং তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ৬ লাখ ৭৯ হাজার ১২৭ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার আমানতের পরিমাণ ৩৯ লাখ ৪৯ হাজার ৯৯২ টাকা, আর স্ত্রীর নামে রয়েছে ২৬ লাখ ৫ হাজার ৪৩৫ টাকা।

শেয়ার ও বিনিয়োগ খাতে তার অর্জনকালীন মূল্য ১৯ লাখ টাকা। তার স্ত্রীর নামে শেয়ারের বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এছাড়া অন্যান্য কোম্পানির শেয়ারে তার বিনিয়োগের মূল্য ৯৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।

যানবাহনের মধ্যে সালাহউদ্দিন আহমেদের মালিকানায় রয়েছে একটি কার ও দুটি জিপ, যার আনুমানিক মূল্য ৫৭ লাখ টাকা। তার স্ত্রীর নামে রয়েছে একটি কার ও একটি জিপ, যার মূল্য প্রায় ৬৫ লাখ টাকা। এছাড়া তিনি ১২ দশমিক ৩ তোলা স্বর্ণ এবং তিনটি আগ্নেয়াস্ত্রের মালিক। তার স্ত্রীর কাছে রয়েছে ২৪ দশমিক ৮ তোলা স্বর্ণ।

স্থাবর সম্পত্তির হিসাবে তার রয়েছে ২৪ দশমিক ৩৬ একর কৃষিজমি, ৯ দশমিক ৪৩ একর অকৃষিজমি, পেকুয়ায় একটি তিনতলা বাসভবন (১২ হাজার ২০৮ বর্গফুট), কক্সবাজার শহরের কলাতলীতে একটি ছয়তলা ভবন (১৮ হাজার ১৫০ বর্গফুট) এবং ঢাকার গুলশানে একটি ফ্ল্যাট (৪ হাজার ১৯ বর্গফুট)।

হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়, সালাহউদ্দিন আহমেদের ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়ের পরিমাণ মোট ৪ কোটি ১৫ লাখ টাকা। অন্যদিকে তিনি বিভিন্ন খাতে ৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ঋণ প্রদান করেছেন।

নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে অযোগ্য ঘোষণার দাবি আখতার হোসেনের
দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় সালাহউদ্দিন আহমেদ ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত চারদলীয় ঐক্যজোট সরকারের সময়ে তিনি যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে তার স্ত্রী একই আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।

জনপ্রিয় সংবাদ

সরকারের সর্বাত্মক প্রচেষ্টায় স্বাধীনভাবে ভোট দিচ্ছেন ভোটাররা — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা

কক্সবাজার-১ আসনে ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচনী মনোনয়নপত্র জমা দিলেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ, প্রকাশ হলো তার সম্পদের বিস্তৃত হিসাব।

সালাহউদ্দিন আহমেদের বার্ষিক আয় ৬ কোটি ২১ লাখ টাকা শুক্রবার, ০২ জানুয়ারি ২০২৬

আপডেট সময় ০৮:২৭:১৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ জানুয়ারী ২০২৬

আলী আহসান রবি : কক্সবাজার-১ (চকরিয়া ও পেকুয়া) আসনে আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতার জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।

মনোনয়নপত্রের সঙ্গে সংযুক্ত আয়-ব্যয়ের হিসাব অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ করবর্ষে সালাহউদ্দিন আহমেদের মোট বার্ষিক আয় আনুমানিক ৬ কোটি ২১ লাখ ৮৩ হাজার ৬২৭ টাকা। এ সময়ে তার মোট ব্যয় দেখানো হয়েছে ৩৬ লাখ ৬৮ হাজার ৫৫৯ টাকা।

হলফনামায় উল্লেখ করা হয়, তার আয়ের প্রধান উৎসগুলোর মধ্যে রয়েছে কৃষিখাত থেকে ৬ লাখ টাকা, স্থাবর সম্পত্তি ভাড়া থেকে ৩ লাখ ২০ হাজার টাকা, পেকুয়া লাইভস্টক ফিশারিজ ফার্ম থেকে ৫ লাখ ৬৫ হাজার টাকা। এছাড়া ব্যাংক আমানত থেকে ১১ হাজার ৩২৬ টাকা, কোম্পানির পরিচালক হিসেবে সম্মানি বাবদ ২৬ লাখ ৪০ হাজার টাকা আয় করেন তিনি। জমি বিক্রির মাধ্যমে তার সর্বোচ্চ আয় হয়েছে। যার পরিমাণ ৫ কোটি ৮০ লাখ ২৭ হাজার ৩১১ টাকা।

নগদ সম্পদের হিসাবে সালাহউদ্দিন আহমেদের কাছে রয়েছে ১ কোটি ৩৫ লাখ ৫২ হাজার ৬৭ টাকা এবং তার স্ত্রীর নামে রয়েছে ৬ লাখ ৭৯ হাজার ১২৭ টাকা। ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানে তার আমানতের পরিমাণ ৩৯ লাখ ৪৯ হাজার ৯৯২ টাকা, আর স্ত্রীর নামে রয়েছে ২৬ লাখ ৫ হাজার ৪৩৫ টাকা।

শেয়ার ও বিনিয়োগ খাতে তার অর্জনকালীন মূল্য ১৯ লাখ টাকা। তার স্ত্রীর নামে শেয়ারের বাজারমূল্য প্রায় ১ কোটি ১০ লাখ ২৫ হাজার টাকা। এছাড়া অন্যান্য কোম্পানির শেয়ারে তার বিনিয়োগের মূল্য ৯৯ লাখ ৯৫ হাজার টাকা।

যানবাহনের মধ্যে সালাহউদ্দিন আহমেদের মালিকানায় রয়েছে একটি কার ও দুটি জিপ, যার আনুমানিক মূল্য ৫৭ লাখ টাকা। তার স্ত্রীর নামে রয়েছে একটি কার ও একটি জিপ, যার মূল্য প্রায় ৬৫ লাখ টাকা। এছাড়া তিনি ১২ দশমিক ৩ তোলা স্বর্ণ এবং তিনটি আগ্নেয়াস্ত্রের মালিক। তার স্ত্রীর কাছে রয়েছে ২৪ দশমিক ৮ তোলা স্বর্ণ।

স্থাবর সম্পত্তির হিসাবে তার রয়েছে ২৪ দশমিক ৩৬ একর কৃষিজমি, ৯ দশমিক ৪৩ একর অকৃষিজমি, পেকুয়ায় একটি তিনতলা বাসভবন (১২ হাজার ২০৮ বর্গফুট), কক্সবাজার শহরের কলাতলীতে একটি ছয়তলা ভবন (১৮ হাজার ১৫০ বর্গফুট) এবং ঢাকার গুলশানে একটি ফ্ল্যাট (৪ হাজার ১৯ বর্গফুট)।

হলফনামায় আরও উল্লেখ করা হয়, সালাহউদ্দিন আহমেদের ব্যক্তিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক দায়ের পরিমাণ মোট ৪ কোটি ১৫ লাখ টাকা। অন্যদিকে তিনি বিভিন্ন খাতে ৭ কোটি ৫৪ লাখ টাকা ঋণ প্রদান করেছেন।

নির্বাচনে জাতীয় পার্টিকে অযোগ্য ঘোষণার দাবি আখতার হোসেনের
দীর্ঘদিন ধরে রাজনীতিতে সক্রিয় সালাহউদ্দিন আহমেদ ১৯৯৬ ও ২০০১ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কক্সবাজার-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০১ থেকে ২০০৬ সাল পর্যন্ত চারদলীয় ঐক্যজোট সরকারের সময়ে তিনি যোগাযোগ প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। ২০০৮ সালে তার স্ত্রী একই আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন।