ঢাকা ১১:১২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬, ৫ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo ঈদুল ফিতরে দেশবাসীর প্রতি মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের শুভেচ্ছা ও শান্তির আহ্বান। Logo নজরখালী বাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় টাঙ্গুয়ার হাওরে পানি প্রবেশ, হুমকিতে হাজারো কৃষকের বোরো ফসল। Logo ঈদযাত্রায় জনভোগান্তি কমাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে – প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু Logo মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতি অবস্থায় প্রবাসীদের কল্যাণ নিশ্চিতকল্পে ঈদের ছুটিতেও চালু থাকছে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের নিয়ন্ত্রণ কক্ষ Logo কৃষকদের ফসল সুরক্ষায় ইনসুরেন্স চালুর উদ্যোগ নেওয়া হবে – খাদ্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষি মন্ত্রী Logo উত্তর সিটির কেন্দ্রীয় ঈদ জামাতে স্বাচ্ছন্দ্যে ঈদের নামাজ আদায়ের সব ধরনের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে — ডিএনসিসি প্রশাসক মো: শফিকুল ইসলাম খান Logo ঈদযাত্রায় স্বস্তি: নির্ধারিত ভাড়ায় চলাচল, অনিয়মে কঠোর ব্যবস্থা—গাবতলীতে সড়ক মন্ত্রীর পরিদর্শন Logo সৌদি আরবে ক্ষেপণাস্ত্র আঘাতে প্রবাসী বাংলাদেশীর মৃত্যু: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রীর শোক প্রকাশ Logo পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সময়ের বুলেটিনের প্রতিনিধি কাইয়ুম বাদশাহ। Logo ১০ বছর বয়সী মাদ্রাসা-পড়ুয়া শিশু ধর্ষণের ঘটনায় তীব্র নিন্দা মানুষের জন্য ফাউন্ডেশনের
প্রকল্পের বাইরে থাকা বাঁধের কারণে সুনামগঞ্জের হাজারো কৃষক উৎকণ্ঠায়

নজরখালী বাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় টাঙ্গুয়ার হাওরে পানি প্রবেশ, হুমকিতে হাজারো কৃষকের বোরো ফসল।

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:০৯:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • ৫২৭ বার পড়া হয়েছে
কাইয়ুম বাদশাহ, সুনামগঞ্জ (সিলেট) : সুনামগঞ্জের মধ্যনগর ও তাহিরপুর উপজেলার টাঙ্গুয়ার হাওরের বাঁধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
 নজরখালী বাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় হাওরে পানি প্রবেশ শুরু হয়েছে। এতে বোরো ধান রক্ষা নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
জানা যায়, প্রতিবছর এ অঞ্চলের কৃষকদের নিজস্ব অর্থায়ন ও স্বেচ্ছাশ্রমে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করতে হয়। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই নজরখালী ও নাওটানা অংশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফসল রক্ষা বাঁধ প্রকল্পের আওতাভুক্ত না থাকায় সরকারি কোনো কার্যকর বরাদ্দ বা স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নজরখালী অংশে বাঁধ নির্মাণ না থাকায় পানি প্রবাহ সরাসরি হাওরের ভেতরে ঢুকে পড়ছে। এতে ধীরে ধীরে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিস্তীর্ণ এলাকার বোরো ফসল ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
চলতি অর্থবছরে তাহিরপুর উপজেলায় হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে ৮৮টি প্রকল্পে প্রায় ১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও নজরখালী বাঁধ অনুমোদিত তালিকায় না থাকায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে।
এ অবস্থায় তাহিরপুর ও মধ্যনগর উপজেলার চারটি ইউনিয়নের অন্তত ৮২টি গ্রামের কৃষক সরাসরি ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছেন। প্রায় ৯ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান এখন আগাম বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।
বিশেষ করে মধ্যনগর উপজেলার উত্তর ও দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের রংচী, খিদিরপুর, আমানীপুর, আন্তরপুর ও রূপনগর গ্রামের কৃষকরা সবচেয়ে বেশি বিপদের মুখে রয়েছেন। নজরখালী বাঁধ নির্মাণ না হলে গনিয়াকুরি, নান্দিয়া, রাঙামাটিয়া ও সামসাগরসহ বিস্তীর্ণ হাওর এলাকার ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, সময়মতো গুরুত্বপূর্ণ এই বাঁধ নির্মাণ করা হলে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না। তারা দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

ঈদুল ফিতরে দেশবাসীর প্রতি মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের শুভেচ্ছা ও শান্তির আহ্বান।

প্রকল্পের বাইরে থাকা বাঁধের কারণে সুনামগঞ্জের হাজারো কৃষক উৎকণ্ঠায়

নজরখালী বাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় টাঙ্গুয়ার হাওরে পানি প্রবেশ, হুমকিতে হাজারো কৃষকের বোরো ফসল।

আপডেট সময় ০৫:০৯:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
কাইয়ুম বাদশাহ, সুনামগঞ্জ (সিলেট) : সুনামগঞ্জের মধ্যনগর ও তাহিরপুর উপজেলার টাঙ্গুয়ার হাওরের বাঁধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
 নজরখালী বাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় হাওরে পানি প্রবেশ শুরু হয়েছে। এতে বোরো ধান রক্ষা নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
জানা যায়, প্রতিবছর এ অঞ্চলের কৃষকদের নিজস্ব অর্থায়ন ও স্বেচ্ছাশ্রমে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করতে হয়। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই নজরখালী ও নাওটানা অংশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফসল রক্ষা বাঁধ প্রকল্পের আওতাভুক্ত না থাকায় সরকারি কোনো কার্যকর বরাদ্দ বা স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নজরখালী অংশে বাঁধ নির্মাণ না থাকায় পানি প্রবাহ সরাসরি হাওরের ভেতরে ঢুকে পড়ছে। এতে ধীরে ধীরে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিস্তীর্ণ এলাকার বোরো ফসল ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
চলতি অর্থবছরে তাহিরপুর উপজেলায় হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে ৮৮টি প্রকল্পে প্রায় ১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও নজরখালী বাঁধ অনুমোদিত তালিকায় না থাকায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে।
এ অবস্থায় তাহিরপুর ও মধ্যনগর উপজেলার চারটি ইউনিয়নের অন্তত ৮২টি গ্রামের কৃষক সরাসরি ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছেন। প্রায় ৯ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান এখন আগাম বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।
বিশেষ করে মধ্যনগর উপজেলার উত্তর ও দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের রংচী, খিদিরপুর, আমানীপুর, আন্তরপুর ও রূপনগর গ্রামের কৃষকরা সবচেয়ে বেশি বিপদের মুখে রয়েছেন। নজরখালী বাঁধ নির্মাণ না হলে গনিয়াকুরি, নান্দিয়া, রাঙামাটিয়া ও সামসাগরসহ বিস্তীর্ণ হাওর এলাকার ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, সময়মতো গুরুত্বপূর্ণ এই বাঁধ নির্মাণ করা হলে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না। তারা দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।