ঢাকা ০৬:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১২ এপ্রিল ২০২৬, ২৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo সীমান্তে চোরাচালান ও বিমান বন্দরে যাত্রী হয়রানি বন্ধে শ্রমমন্ত্রীর নির্দেশনা Logo হামের প্রাদুর্ভাব রোধে রাজনীতিবিদদের ঘরে ঘরে গিয়ে টিকার তথ্য দেয়ার আহ্বান স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রীর Logo মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদ কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ঘিরে কেন্দ্রীয় কর্মসূচি ঘোষণা ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত। Logo কুকুর-কুমির ঘটনা তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শাস্তির নির্দেশ দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু Logo শিক্ষার্থীদের উদ্ভাবনী প্রকল্পে ফুটে উঠেছে ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের চিত্র: ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী Logo রাজশাহীর সিল্ক উন্নত করতে কাজ করছে সরকার – বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম  Logo মুক্তিযোদ্ধা সন্তান সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের নির্বাহী সদস্য নির্বাচিত হলেন ব্রাহ্মণপাড়ার মাসুদ রানা। Logo Operation Clean Homes, Healthy Lives” উদ্বোধন: ডেংগু প্রতিরোধে নগরবাসীকে সম্পৃক্ত করে কাজ করার প্রত্যয় ডিএনসিসি প্রশাসকের Logo জিয়া সরণি খাল পুনরুদ্ধার ও আধুনিকায়নে ডিএসসিসি’র ব্যাপক উদ্যোগ: দ্রুত বাস্তবায়িত হচ্ছে ৩০০ কোটি টাকার প্রকল্প Logo রাণীশংকৈলে পিআইও’র বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন, মামলা প্রত্যাহারের দাবি
প্রকল্পের বাইরে থাকা বাঁধের কারণে সুনামগঞ্জের হাজারো কৃষক উৎকণ্ঠায়

নজরখালী বাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় টাঙ্গুয়ার হাওরে পানি প্রবেশ, হুমকিতে হাজারো কৃষকের বোরো ফসল।

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৫:০৯:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
  • ৫৪২ বার পড়া হয়েছে
কাইয়ুম বাদশাহ, সুনামগঞ্জ (সিলেট) : সুনামগঞ্জের মধ্যনগর ও তাহিরপুর উপজেলার টাঙ্গুয়ার হাওরের বাঁধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
 নজরখালী বাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় হাওরে পানি প্রবেশ শুরু হয়েছে। এতে বোরো ধান রক্ষা নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
জানা যায়, প্রতিবছর এ অঞ্চলের কৃষকদের নিজস্ব অর্থায়ন ও স্বেচ্ছাশ্রমে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করতে হয়। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই নজরখালী ও নাওটানা অংশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফসল রক্ষা বাঁধ প্রকল্পের আওতাভুক্ত না থাকায় সরকারি কোনো কার্যকর বরাদ্দ বা স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নজরখালী অংশে বাঁধ নির্মাণ না থাকায় পানি প্রবাহ সরাসরি হাওরের ভেতরে ঢুকে পড়ছে। এতে ধীরে ধীরে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিস্তীর্ণ এলাকার বোরো ফসল ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
চলতি অর্থবছরে তাহিরপুর উপজেলায় হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে ৮৮টি প্রকল্পে প্রায় ১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও নজরখালী বাঁধ অনুমোদিত তালিকায় না থাকায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে।
এ অবস্থায় তাহিরপুর ও মধ্যনগর উপজেলার চারটি ইউনিয়নের অন্তত ৮২টি গ্রামের কৃষক সরাসরি ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছেন। প্রায় ৯ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান এখন আগাম বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।
বিশেষ করে মধ্যনগর উপজেলার উত্তর ও দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের রংচী, খিদিরপুর, আমানীপুর, আন্তরপুর ও রূপনগর গ্রামের কৃষকরা সবচেয়ে বেশি বিপদের মুখে রয়েছেন। নজরখালী বাঁধ নির্মাণ না হলে গনিয়াকুরি, নান্দিয়া, রাঙামাটিয়া ও সামসাগরসহ বিস্তীর্ণ হাওর এলাকার ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, সময়মতো গুরুত্বপূর্ণ এই বাঁধ নির্মাণ করা হলে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না। তারা দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
জনপ্রিয় সংবাদ

সীমান্তে চোরাচালান ও বিমান বন্দরে যাত্রী হয়রানি বন্ধে শ্রমমন্ত্রীর নির্দেশনা

প্রকল্পের বাইরে থাকা বাঁধের কারণে সুনামগঞ্জের হাজারো কৃষক উৎকণ্ঠায়

নজরখালী বাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় টাঙ্গুয়ার হাওরে পানি প্রবেশ, হুমকিতে হাজারো কৃষকের বোরো ফসল।

আপডেট সময় ০৫:০৯:১৮ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ ২০২৬
কাইয়ুম বাদশাহ, সুনামগঞ্জ (সিলেট) : সুনামগঞ্জের মধ্যনগর ও তাহিরপুর উপজেলার টাঙ্গুয়ার হাওরের বাঁধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ
 নজরখালী বাঁধ নির্মাণ না হওয়ায় হাওরে পানি প্রবেশ শুরু হয়েছে। এতে বোরো ধান রক্ষা নিয়ে চরম উৎকণ্ঠায় পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা।
জানা যায়, প্রতিবছর এ অঞ্চলের কৃষকদের নিজস্ব অর্থায়ন ও স্বেচ্ছাশ্রমে ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণ করতে হয়। কিন্তু গুরুত্বপূর্ণ এই নজরখালী ও নাওটানা অংশ পানি উন্নয়ন বোর্ডের ফসল রক্ষা বাঁধ প্রকল্পের আওতাভুক্ত না থাকায় সরকারি কোনো কার্যকর বরাদ্দ বা স্থায়ী উদ্যোগ নেওয়া হয়নি।
সরেজমিনে দেখা গেছে, নজরখালী অংশে বাঁধ নির্মাণ না থাকায় পানি প্রবাহ সরাসরি হাওরের ভেতরে ঢুকে পড়ছে। এতে ধীরে ধীরে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং বিস্তীর্ণ এলাকার বোরো ফসল ঝুঁকির মুখে পড়েছে।
চলতি অর্থবছরে তাহিরপুর উপজেলায় হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধ নির্মাণে ৮৮টি প্রকল্পে প্রায় ১৮ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হলেও নজরখালী বাঁধ অনুমোদিত তালিকায় না থাকায় স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে চরম হতাশা বিরাজ করছে।
এ অবস্থায় তাহিরপুর ও মধ্যনগর উপজেলার চারটি ইউনিয়নের অন্তত ৮২টি গ্রামের কৃষক সরাসরি ক্ষতির আশঙ্কায় রয়েছেন। প্রায় ৯ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান এখন আগাম বন্যার ঝুঁকিতে রয়েছে।
বিশেষ করে মধ্যনগর উপজেলার উত্তর ও দক্ষিণ বংশীকুন্ডা ইউনিয়নের রংচী, খিদিরপুর, আমানীপুর, আন্তরপুর ও রূপনগর গ্রামের কৃষকরা সবচেয়ে বেশি বিপদের মুখে রয়েছেন। নজরখালী বাঁধ নির্মাণ না হলে গনিয়াকুরি, নান্দিয়া, রাঙামাটিয়া ও সামসাগরসহ বিস্তীর্ণ হাওর এলাকার ফসল তলিয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন তারা।
স্থানীয় কৃষকদের অভিযোগ, সময়মতো গুরুত্বপূর্ণ এই বাঁধ নির্মাণ করা হলে এমন পরিস্থিতি সৃষ্টি হতো না। তারা দ্রুত সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।