
আন্তর্জাতিক ডেস্ক : লেবাননের পূর্বাঞ্চলে একটি মিনিবাস লক্ষ্য করে ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় অন্তত দুইজন নিহত হয়েছেন। যুদ্ধবিরতি চুক্তি থাকা সত্ত্বেও প্রায় প্রতিদিন ইসরায়েলের হামলার ধারাবাহিকতার মধ্যেই এই ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে লেবাননের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ন্যাশনাল নিউজ এজেন্সি (এনএনএ)।
এনএনএ জানায়, বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) লেবাননের হেরমেল জেলার হোশ আল-সাইয়েদ আলী সড়কে চলন্ত একটি মিনিবাসে ড্রোন হামলা চালানো হয়। এতে ঘটনাস্থলেই দুইজন নিহত হন।
এর কয়েক ঘণ্টা আগেই বুধবার গভীর রাতে দক্ষিণ লেবাননের টাইর জেলার জেন্নাতা শহরে একটি গাড়ি লক্ষ্য করে চালানো ইসরায়েলি ড্রোন হামলায় একজন পথচারী আহত হন।
এদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনীর মুখপাত্র আভিখাই আদরাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে দাবি করেন, বৃহস্পতিবারের হামলায় পূর্ব লেবাননের আল-নাসিরিয়াহ এলাকায় একজন ‘সন্ত্রাসী সদস্যকে’ লক্ষ্য করা হয়েছিল।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের নভেম্বরে এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলা সীমান্ত সংঘর্ষের পর ইসরায়েল ও লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর মধ্যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয়। তবে গাজায় চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ওই চুক্তির পরও লেবাননে প্রায় প্রতিদিনই ইসরায়েলি হামলার ঘটনা ঘটছে।
জাতিসংঘের তথ্য অনুযায়ী, যুদ্ধবিরতির পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় লেবাননে এখন পর্যন্ত ৩০০ জনের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে অন্তত ১২৭ জন বেসামরিক নাগরিক। অন্যদিকে আর্মড কনফ্লিক্ট লোকেশন অ্যান্ড ইভেন্ট ডাটা প্রজেক্ট (এসিএলইডি) জানিয়েছে, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে নভেম্বরের শেষ পর্যন্ত ইসরায়েল লেবাননে প্রায় ১ হাজার ৬০০টি হামলা চালিয়েছে।
ইসরায়েল কর্তৃপক্ষের দাবি, হিজবুল্লাহ যোদ্ধা ও তাদের অবকাঠামো লক্ষ্য করেই এসব বিমান হামলা চালানো হচ্ছে এবং যুদ্ধবিরতি চুক্তির আওতায় গোষ্ঠীটির সম্পূর্ণ নিরস্ত্রীকরণ প্রয়োজন।
সূত্র : আল জাজিরা ও আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা
নিজস্ব সংবাদ : 




















