
আলী আহসান রবি : ‘জাতীয় সমাজসেবা দিবস’টি শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এটি সকলের সম্মিলিত প্রচেষ্টার সমাজের অসহায় জনগোষ্ঠীর প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতীক।
প্রতি বছর ২ জানুয়ারি বাংলাদেশে পালিত হয় জাতীয় সমাজসেবা দিবস। এটি একটি বিশেষ দিন, যা সমাজের পিছিয়ে পড়া অসহায় ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর প্রতি সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগের প্রতিফলন ঘটায়। সমাজসেবা অধিদপ্তরের উদ্যোগে এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পৃষ্ঠপোষকতায় এ দিবসটি দেশব্যাপী নানা কর্মসূচির মাধ্যমে উদযাপিত হচ্ছে। সমাজসেবা অধিদপ্তর দেশের অসহায়, দুস্থ,দরিদ্র, প্রতিবন্ধীব্যক্তি,কিশোর-কিশোরী
বাংলাদেশে সমাজসেবার কার্যক্রমের শুরু হয় ১৯৪৭ সালের দেশভাগের পর। বাংলাদেশে সমাজসেবার ইতিহাস খুবই পুরনো। দেশভাগের ফলে ঢাকায় ব্যাপক বস্তি সমস্যা এবং সামাজিক অস্থিরতা দেখা দেয়। এসব সমস্যা সমাধানের লক্ষ্যে ১৯৫৫ সালে জাতিসংঘের পরামর্শে সমাজকল্যাণমূলক কার্যক্রম শুরু হয়। এর ধারাবাহিকতায় ১৯৬১ সালে সমাজকল্যাণ পরিদপ্তর (পরবর্তীতে সমাজসেবা অধিদপ্তর) প্রতিষ্ঠিত হয়। স্বাধীনতার পর সমাজসেবা অধিদপ্তরের কার্যক্রম বিস্তৃত হয়। পল্লী সমাজসেবা, শহর সমাজসেবা, প্রতিবন্ধী কল্যাণ, অনাথ শিশু পুনর্বাসন ইত্যাদি কর্মসূচি চালু হয়। পরবর্তীতে গ্রামীণ ব্যাংকের মতো উদ্যোগের ভিত্তি হয়।দিবসটির সরাসরি উৎপত্তি ১৯৯৯ সালে। ঐ বছর সমাজসেবা অধিদপ্তরের সদর দপ্তর ‘সমাজসেবা ভবন’ উদ্বোধনের সময় ২ জানুয়ারিকে ‘জাতীয় সমাজসেবা দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল সমাজসেবা কর্মীদের উৎসাহিত করা এবং সামাজিক কল্যাণ কর্মসূচিকে গতিশীল করা। পরবর্তীতে ২০১২ সালের ৪ জুন মন্ত্রিসভা এ দিবসকে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বি’ ক্যাটাগরির জাতীয় দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করে। ২০০০ সাল থেকে নিয়মিতভাবে এ দিবস পালিত হয়ে আসছে। প্রতি বছর দিবসটির গুরুত্বকে অনুধাবন করে একটি প্রতিপাদ্য নির্ধারিত হয়ে থাকে। জাতীয় সমাজসেবা দিবস ২০২৬ এর প্রতিপাদ্য ‘প্রযুক্তি ও মমতায়, কল্যাণ ও সমতায়, আস্থা আজ সমাজসেবায়’ যা শুধু একটি উদযাপন নয়, বরং সমাজের সকল স্তরে মানবিকতা, সহানুভূতি ও সমতার চেতনা জাগ্রত করার একটি প্ল্যাটফর্ম। এর মাধ্যমে বাংলাদেশকে একটি আধুনিক কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত হয়।
জাতীয় সমাজসেবা দিবসে দেশব্যাপী বর্ণাঢ্য র্যালি, আলোচনা সভা, সেমিনার, অনুদান বিতরণ, শীতবস্ত্র বিতরণ, ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প ইত্যাদি আয়োজন করা হয়। জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে সমাজসেবা কার্যালয়গুলো এসব কর্মসূচি বাস্তবায়ন করে। সার্বিকভাবে, এ দিবসটি শুধু একটি আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং এটি সমাজের অসহায় মানুষদের প্রতি দায়বদ্ধতার প্রতীক। এ দিবস আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয় যে, উন্নয়নের ফলাফল তখনই সার্থক যখন তা সমাজের সর্বস্তরের মানুষের কাছে পৌঁছায়।
সমাজসেবা অধিদপ্তর শিশুদের বিকাশ, সুরক্ষা ও উন্নয়নের লক্ষ্যে বিভিন্ন ধরনের ২১২টি প্রাতিষ্ঠানিক কার্যক্রম পরিচালনা করছে। ৬টি ছোটমণি নিবাসে পরিত্যক্ত, ঠিকানাহীন, দাবিদারহীন ও পাচারকারীদের নিকট থেকে উদ্ধারকৃত এবং ০-৭ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের এবং ৮৫টি শিশু পরিবার ও ৩টি দুস্থ শিশু প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের মাধ্যমে দরিদ্র, অসহায়, ছিন্নমূল ও দুস্থ’ শিশুদের রক্ষণাবেক্ষণ, ভরণপোষণ শিশুদের সাধারণ শিক্ষা, স্বাস্থ্য, নিরাপত্তা, প্রশিক্ষণ, চিত্তবিনোদন নিশ্চিত করে সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার জন্য কাজ করে যাচ্ছে। ৬টি কেন্দ্রের মাধ্যমে এতিম ও প্রতিবন্ধীদের যুগোপযোগী কারিগরি প্রশিক্ষণ প্রদানপূর্বক কর্মসংস্থানের মাধ্যমে সমাজে পুনর্বাসন করার লক্ষ্যে কাজ করে চলছে। ৫টি প্রাক-বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণ কেন্দ্রে শিশু পরিবারের শিশুদের কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়। ৪টি সরকারি বাক্-শ্রবণ প্রতিবন্ধী বিদ্যালয় ও ৬৪টি জেলায় সমন্বিত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষা কার্যক্রমের মাধ্যমে প্রতিবন্ধী শিশুদের ভরণপোষণ, শিক্ষা, প্রশিক্ষণ, চিকিৎসা, চিত্তবিনোদন ও পুনর্বাসনের মাধ্যমে সমাজে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার যোগ্য করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করে চলছে। দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, বাক্-শ্রবণ ও শারীরিক প্রতিবন্ধী যুবকদেরকে বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে টঙ্গীতে প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র রয়েছে। মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুদের রক্ষণাবেক্ষণ ও চিকিৎসা সেবা প্রদানের মাধ্যমে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে চট্টগ্রাম জেলার রউফাবাদে মানসিক প্রতিবন্ধী শিশুদের প্রতিষ্ঠান রয়েছে। আইনের সাথে সংঘাতে জড়িত শিশুদের উন্নয়নের জন্য ৩টি শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র রয়েছে যার একটি মেয়েদের জন্য। একইভাবে মহিলা ও শিশু-কিশোরী হেফাজতিদের কারাগারের বাইরে নিরাপদে রাখার জন্য ৬টি মহিলা ও শিশু-কিশোরী হেফাজতিদের নিরাপদ আবাসন কেন্দ্র রয়েছে। এছাড়া অনৈতিক ও অসামাজিক পেশায় জড়িত মেয়েদের প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসনের জন্য ৬টি ‘সামাজিক প্রতিবন্ধী মেয়েদের প্রশিক্ষণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্র’ রয়েছে। ‘জাতীয় বিশেষ শিক্ষা কেন্দ্রে’ ব্যাচেলর অব স্পেশাল এডুকেশন (BSED) ডিগ্রিসহ মাস্টার্স অব স্পেশাল এডুকেশন (MSED) ডিগ্রি অর্জনের ব্যবস্থা রয়েছে। দেশের এতিম ও অনাথ শিশুদের কল্যাণে বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় স্থাপিত এতিমখানার মধ্যে মাথাপিছু মাসিক ২,০০০ টাকা করে সরকারি অনুদান দেওয়া হয়। শিশু সুরক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সমাজসেবা অধিদপ্তর ও ইউনিসেফ-এর সহায়তায় ‘চাইল্ড হেল্প লাইন-১০৯৮’ সেবা প্রদান করে আসছে। চাইল্ড হেল্পলাইন “১০৯৮”: জুলাই ২০২৫ পর্যন্ত সর্বমোট ২১.১৯ লক্ষ জনকে বিভিন্ন (শিশুদের নিরাপত্তা, উদ্ধার, নির্যাতন, শিশু পাচার, বাল্যবিবাহ রোধসহ অন্যান্য) সেবা প্রদান করেছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, বিশ্বের মোট জনসংখ্যার প্রায় ১৫% মানুষ প্রতিবন্ধী। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো-এর মতে বাংলাদেশে প্রায় ৯ শতাংশ নাগরিক কোনো না কোনোভাবে প্রতিবন্ধিতার শিকার, যার বিশাল একটি অংশই শিক্ষার্থী। শিক্ষাক্ষেত্রে এই প্রতিবন্ধী ছাত্র-ছাত্রীদের অভিগম্যতা নিশ্চিতকরণে মাল্টিমিডিয়া টকিং বুক উদ্যোগটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। এই সকল পাঠ্যপুস্তককে ফুল টেক্সট ও ফুল অডিও মাল্টিমিডিয়া টকিং বইতে প্রণয়ন করা হয়, যা বিনামূল্যে শিক্ষার্থীদের মাঝে বিতরণ করা হয়। শিক্ষা ছাড়াও বিভিন্ন প্রতিবন্ধীদের সেবাপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে অংশীজনদের সহযোগিতায় সেবাপ্রাপ্তির পথও অনেক সুগম হয়েছে। ডিজিটাল কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ সমাজসেবা অধিদপ্তর তৃতীয় জাতীয় ডিজিটাল বাংলাদেশ দিবস ২০১৯ -এ শ্রেষ্ঠ সরকারি দপ্তর হিসেবে পুরস্কার লাভ করে।
দেশে প্রথম বয়স্ক ভাতা যুগান্তকারী পদক্ষেপ গৃহীত হয় ১৯৯৭-৯৮ অর্থবছরে ‘বয়স্ক ভাতা’ কর্মসূচির মাধ্যমে। বর্তমানে দেশের ৬১ লক্ষ বয়স্ক উপকারভোগীর ভাতা G2P পদ্ধতিতে ভোগান্তি ছাড়াই অল্প সময়ে তাদের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে যাচ্ছে। বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা দুস্থ নারীদের দুর্দশা লাঘবে বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা মহিলা ভাতা প্রবর্তিত হয় ১৯৯৮ সালে। এছাড়া সরকার প্রতিবন্ধীদের জন্য ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তি কর্মসূচি গ্রহণ করে। সমাজের পিছিয়ে পড়া সকল জনগোষ্ঠীকে উন্নয়নের মূলধারায় সম্পৃক্ত করতে কাজ করে। সে অনুযায়ী হিজড়া, বেদে ও অনগ্রসর জনগোষ্ঠীকে ভাতা, উপবৃত্তি ও প্রশিক্ষণের মাধ্যমে দক্ষ জনশক্তিতে রূপান্তরের লক্ষ্যে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়। ক্যান্সার, কিডনি, লিভার সিরোসিস, স্ট্রোকে প্যারালাইজড, জন্মগত হৃদরোগ ও থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত রোগী ও তার পরিবারকে চিকিৎসা ব্যয় বহনে আর্থিক সহায়তা করা এবং রোগীকে সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যে গৃহীত কর্মসূচি সফলভাবে বাস্তবায়নের ফলে সুস্থ সমাজগঠনসহ সামাজিক সূচকে ইতিবাচক প্রভাব বিস্তার করে চলছে। চা শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়ন কর্মসূচির মাধ্যমে ২০২২-২৩ অর্থ বছরে ৬০ হাজার চা শ্রমিককে জনপ্রতি ৫০০০ টাকা হারে G2P মাধ্যমে অনুদান প্রদান করা হয়েছে এবং ২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাজেটে চা শ্রমিকদের উপকারভোগীর সংখ্যা বেড়ে ১.৪৩৫ লক্ষ জন করা হয়েছে। উপকারভোগীদের লাইভ ভেরিফিকেশনের মাধ্যমে যাচাই-বাছাই করে ২০২৪-২৫ অর্থবছরে জিটুপি পদ্ধতিতে EFT এর মাধ্যমে সুষ্ঠুভাবে অর্থ বিতরণ চালু সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির একটি সময়পোযোগী পদক্ষেপ।
হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যালয়ের ‘রোগী কল্যাণ সমিতি’র মাধ্যমে গরিব, অসহায় ও দুস্থ রোগীদের ঔষধ, রক্ত, খাদ্য, বস্ত্র, চশমা, হুইল চেয়ার ও সহায়ক সামগ্রীর মাধ্যমে রোগীদের আর্থিক, সামাজিক ও মানসিক সেবা প্রদান করা হয়ে থাকে। সমাজসেবা অধিদপ্তর কর্তৃক ৬৪টি জেলা এবং মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে ৬টিসহ ৭০টি ইউনিটে প্রবেশন অ্যান্ড আফটার কেয়ার কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বর্তমানে ৬৪ জেলা সমাজসেবা কার্যালয় থেকে এ পর্যন্ত ৭০০৯৯টি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা নিবন্ধিত হয়ে সমাজসেবার ক্ষেত্রে ফলপ্রসূ অবদান রাখছে। প্রবীণ জনগোষ্ঠীর কল্যাণ ও সুরক্ষায় জাতীয় প্রবীণ নীতিমালা ২০১৩ প্রণয়ন, পিতা-মাতার ভরণপোষণ আইন, ২০১৩ প্রণয়ন, ২০১৪ সালের প্রবীণ ব্যক্তিদের ‘সিনিয়র সিটিজেন’ হিসেবে ঘোষণা, প্রতিটি শিশু পরিবারে প্রবীণদের জন্য ১০টি স্বতন্ত্র আসন নির্ধারিত রয়েছে, ৮ বিভাগে প্রবীণদের জন্য ৮টি শান্তিনিবাস স্থাপনের নির্মাণকাজ দ্রুত গতিতে এগিয়ে চলেছে।
ডিজিটাল সেবা ও শিক্ষার ক্ষেত্রে বিভিন্ন শ্রেণির প্রতিবন্ধী ব্যক্তিবর্গের অভিগম্যতা নিশ্চিত করনার্থে সমাজসেবার গৃহিত কার্যক্রম সমুহ দুর্বার গতিতে চলমান রয়েছে। মানবকল্যাণে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার ব্যক্তি ও সংগঠনকে উৎসাহ প্রদানের নিমিত্ত মানবকল্যাণ পদক প্রদান করা হয়েছে। অনগ্রসর জনগোষ্ঠীসমূহের জীবনমান উন্নয়নশীর্ষক সমন্বিত নীতিমালা, ২০২৫ এবং প্রতিবন্ধী ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তি কার্যক্রম সমন্বিত নীতিমালা, ২০২৫ অনুমোদন করা হয়েছে। নারী ও প্রতিবন্ধীব্যক্তিদের ক্ষমতায়নের লক্ষ্যে Women and Golden Citizen Trade Festival 2025 আয়োজন করা হয়েছে। এছাড়া জুলাই আন্দোলনে ২ হাজার ৪৫৮ জন আহত বীর যোদ্ধাকে ০২ কোটি ৯৯ লক্ষ ৯৩ হাজার ৫০ টাকার চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা হয়েছে, যা এখনো চলমান।
জাতীয় সমাজসেবা দিবস আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, একটি সমাজের উন্নয়ন তার সকল সদস্যের উন্নয়নে নিহিত। সমাজসেবা শুধু অনুদান বিতরণ নয়, বরং মানুষের মর্যাদা, অধিকার ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা। বৈষম্যহীন মানবিক বাংলাদেশ গড়তে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় পিছিয়ে পড়া মানুষের মূল স্রোতধারায় ফিরিয়ে আনতে জনহিতকর বিভিন্ন কর্মসূচি দক্ষতার সাথে বাস্তবায়নে বিশেষ ভূমিকা পালন করছে। তাই আসুন, এ দিবস উপলক্ষ্যে নতুনকরে প্রতিজ্ঞা নিই- সমাজসেবায় দেশের মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত হই।
লেখক : মো. রফিকুল ইসলাম।
নিজস্ব সংবাদ : 




















