ঢাকা ০৬:৩৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬, ১৬ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাদ্দামকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ Logo সততা, দায়িত্ববোধ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী Logo কোরবানির হাটের বর্জ্য অপসারণ শেষে তেজগাঁওয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন Logo ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত…স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo দুধ উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি নির্ভরতা কমাতে হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী Logo মধ্যনগরে ১০২ হাফেজকে সংবর্ধনা দিল ইসলামি ছাত্র পরিষদ Logo হরিপুরে দগ্ধ নারীর মরদেহ উদ্ধার, আতঙ্কিত এলাকাবাসী Logo পদ্মা ও যমুনা সেতুতে আধুনিক ইটিসি প্রযুক্তির সুফল : ঈদুল আযহার ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা ছিল নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন Logo লিবিয়া থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন Logo কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের খোঁজ নিতে ঝটিকা সফরে ভোলায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
সমাজসেবা অধিদপ্তর ও জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীসহ সকল নাগরিকের কাছে সচেতনতা পৌঁছে দিচ্ছে।

আসন্ন ‘গণভোট-২০২৬’ উপলক্ষে জনগণকে সচেতন করতে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ১২:০৮:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৬১ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : আসন্ন ‘গণভোট-২০২৬’ উপলক্ষে জনগণকে সচেতন করতে এবং সাংবিধানিক সংস্কার বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা প্রদানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সমাজসেবা অধিদপ্তর ও জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন একটি সময়াবন্ধ ও বিস্তারিত ‘সচেতনতামূলক কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন কৌশল গ্রহণ করেছে। এই কর্মপরিকল্পনাটি ৬ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত সারা দেশে একযোগে বাস্তবায়িত হবে। ইতোমধ্যে বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

কর্মপরিকল্পনার মূলস্তম্ভ ও গৃহীত পদক্ষেপসমূহ

১. প্রস্তুতিমূলক প্রশিক্ষণ ও ওরিয়েন্টেশন ৬ জানুয়ারি হতে গণভোট বিষয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে অনলাইন ও অফলাইন ওরিয়েন্টেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে দক্ষ প্রশিক্ষক তৈরির লক্ষ্যে ১০৭৪ জন ‘মাস্টার ট্রেইনার’ প্রস্তুত করা হয়েছে। ৬ জানুয়ারি ২০২৬ এর পূর্বে মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারা দেশে দপ্তর/সংস্হার প্রধানদের নিয়ে অনলাইনে অবহিতকরণ সভা করা হয়েছে।

২. তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা (উঠান বৈঠকও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান):

উঠান বৈঠক পল্লী সমাজসেবা (RSS) ও শহর সমাজসেবা (UCD) কার্যক্রমের আওতায় প্রতিটি ইউনিয়নে ও ওয়ার্ডে প্রতিদিন অন্তত একটি করে উঠান বৈঠক আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান: নিবন্ধিত এতিমখানা সংলগ্ন মসজিদ, মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে জুমার খুতবা বা প্রার্থনার সময় গণভোটের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনার বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।

৩. সেবা কেন্দ্রভিত্তিক প্রচারণা: সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এর মাধ্যমে বিতরণ করা হয় এমন ৪ (চার) ক্যাটাগরির (বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা, প্রতিবন্ধী ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তি, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীসমূহের জীবনমান উন্নয়ন) ভাতা বিতরণ পয়েন্টগুলোতে সরকার কর্তৃক সরবরাহকৃত ফরমেটে লিফলেট বিতরণ ও তথ্য প্রদান করা হচ্ছে।

হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রমের আওতায় রোগী ও তাদের অভিভাবকদের জন্য ওয়েটিং রুমে সচেতনতামূলক ভিডিও প্রদর্শন করা হচ্ছে। কারাগার ও প্রবেশন সেবার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরস চেতন করা হচ্ছে।

৪. ডিজিটাল ও মোবাইল ক্যাম্পেইন: সারা দেশে প্রায় ১ কোটি ৩০ লক্ষ সামাজিক নিরাপত্তা ভাতাভোগী মোবাইল গ্রাহককে ‘গণভোটে ভোট দিন, দেশ গঠনে অংশ নিন’ স্লোগানে প্রতি মাসে ২ বার করে এসএমএস (SMS) প্রদানের পরিকল্পনা নেওয়াহয়েছে।

৫. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিবর্গের জন্য বিশেষ আয়োজন জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের মালিকানাধীন ২৫টি মোবাইল থেরাপি ভ্যানের মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা চালানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও ১০০টি সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র হতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিগণকে গণভোট বিষয়ে সচেতনতামূলক ব্রিফ এবং তথ্যাদি সরবরাহ করা হচ্ছে।

৬. এনজিও ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সম্পৃক্তকরণ: সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতাধীন প্রায় ৭২ হাজার নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং ০৪ (চার) হাজারের অধিক হাজার ক্যাপিটেশন গ্র্যান্ট প্রাপ্ত এতিমখানাকে এইসচেতনতা কার্যক্রমে সরাসরি সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

৭. নিবিড় তদারকি ও ডিজিটাল রিপোর্টিং: সমগ্র কার্যক্রম তদারকির জন্য একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং কমিটি’ এবং ১০টি ‘বিভাগীয় মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ের প্রতিদিনের অগ্রগতির তথ্য ‘Google Sheet’ এরমাধ্যমে সংগ্রহ করে কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

৮. প্রশিক্ষণ কোর্সসমূহের মাধ্যমে সচেতন: বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে চলমান প্রশিক্ষণ কোর্সসমূহে অংশগ্রহণকারীগণকে গণভোেট বিষয়ে অবহিত করা হচ্ছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সমাজসেবা অধিদপ্তর ও জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন তাদের সুশৃঙ্খল কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক পিছিয়েপড়া ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগোষ্ঠীসহ সকল নাগরিকের কাছে গণভোটের বার্তা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর। সরকারের এই বৃহৎ উদ্যোগ সফল করতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, সমাজসেবা অধিদপ্তর ও জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের প্রতিটি স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

সর্বশেষ অগ্রগতি: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ দুপুর ৩.০০ ঘটিকা পর্যন্ত মোট ১২ লক্ষ ২৬ হাজার জনের মধ্যে জনসচেতনতা কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়েছে।

জনপ্রিয় সংবাদ

হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাদ্দামকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ

সমাজসেবা অধিদপ্তর ও জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন দেশের প্রান্তিক জনগোষ্ঠীসহ সকল নাগরিকের কাছে সচেতনতা পৌঁছে দিচ্ছে।

আসন্ন ‘গণভোট-২০২৬’ উপলক্ষে জনগণকে সচেতন করতে – সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়

আপডেট সময় ১২:০৮:৩৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ জানুয়ারী ২০২৬

আলী আহসান রবি : আসন্ন ‘গণভোট-২০২৬’ উপলক্ষে জনগণকে সচেতন করতে এবং সাংবিধানিক সংস্কার বিষয়ে স্বচ্ছ ধারণা প্রদানে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সমাজসেবা অধিদপ্তর ও জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন একটি সময়াবন্ধ ও বিস্তারিত ‘সচেতনতামূলক কর্মপরিকল্পনা ও বাস্তবায়ন কৌশল গ্রহণ করেছে। এই কর্মপরিকল্পনাটি ৬ জানুয়ারি ২০২৬ থেকে ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ পর্যন্ত সারা দেশে একযোগে বাস্তবায়িত হবে। ইতোমধ্যে বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

কর্মপরিকল্পনার মূলস্তম্ভ ও গৃহীত পদক্ষেপসমূহ

১. প্রস্তুতিমূলক প্রশিক্ষণ ও ওরিয়েন্টেশন ৬ জানুয়ারি হতে গণভোট বিষয়ে পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে অনলাইন ও অফলাইন ওরিয়েন্টেশনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ে দক্ষ প্রশিক্ষক তৈরির লক্ষ্যে ১০৭৪ জন ‘মাস্টার ট্রেইনার’ প্রস্তুত করা হয়েছে। ৬ জানুয়ারি ২০২৬ এর পূর্বে মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সারা দেশে দপ্তর/সংস্হার প্রধানদের নিয়ে অনলাইনে অবহিতকরণ সভা করা হয়েছে।

২. তৃণমূল পর্যায়ে সচেতনতা (উঠান বৈঠকও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান):

উঠান বৈঠক পল্লী সমাজসেবা (RSS) ও শহর সমাজসেবা (UCD) কার্যক্রমের আওতায় প্রতিটি ইউনিয়নে ও ওয়ার্ডে প্রতিদিন অন্তত একটি করে উঠান বৈঠক আয়োজনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান: নিবন্ধিত এতিমখানা সংলগ্ন মসজিদ, মন্দির ও অন্যান্য উপাসনালয়ে জুমার খুতবা বা প্রার্থনার সময় গণভোটের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনার বিশেষ অনুরোধ জানানো হয়েছে।

৩. সেবা কেন্দ্রভিত্তিক প্রচারণা: সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এর মাধ্যমে বিতরণ করা হয় এমন ৪ (চার) ক্যাটাগরির (বয়স্ক ভাতা, বিধবা ও স্বামী নিগৃহীতা, প্রতিবন্ধী ভাতা ও শিক্ষা উপবৃত্তি, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীসমূহের জীবনমান উন্নয়ন) ভাতা বিতরণ পয়েন্টগুলোতে সরকার কর্তৃক সরবরাহকৃত ফরমেটে লিফলেট বিতরণ ও তথ্য প্রদান করা হচ্ছে।

হাসপাতাল সমাজসেবা কার্যক্রমের আওতায় রোগী ও তাদের অভিভাবকদের জন্য ওয়েটিং রুমে সচেতনতামূলক ভিডিও প্রদর্শন করা হচ্ছে। কারাগার ও প্রবেশন সেবার মাধ্যমে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদেরস চেতন করা হচ্ছে।

৪. ডিজিটাল ও মোবাইল ক্যাম্পেইন: সারা দেশে প্রায় ১ কোটি ৩০ লক্ষ সামাজিক নিরাপত্তা ভাতাভোগী মোবাইল গ্রাহককে ‘গণভোটে ভোট দিন, দেশ গঠনে অংশ নিন’ স্লোগানে প্রতি মাসে ২ বার করে এসএমএস (SMS) প্রদানের পরিকল্পনা নেওয়াহয়েছে।

৫. প্রতিবন্ধী ব্যক্তিবর্গের জন্য বিশেষ আয়োজন জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের মালিকানাধীন ২৫টি মোবাইল থেরাপি ভ্যানের মাধ্যমে প্রচার-প্রচারণা চালানোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। এছাড়াও ১০০টি সেবা ও সাহায্য কেন্দ্র হতে প্রতিবন্ধী ব্যক্তিগণকে গণভোট বিষয়ে সচেতনতামূলক ব্রিফ এবং তথ্যাদি সরবরাহ করা হচ্ছে।

৬. এনজিও ও স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা সম্পৃক্তকরণ: সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সমাজসেবা অধিদপ্তরের আওতাধীন প্রায় ৭২ হাজার নিবন্ধিত স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা এবং ০৪ (চার) হাজারের অধিক হাজার ক্যাপিটেশন গ্র্যান্ট প্রাপ্ত এতিমখানাকে এইসচেতনতা কার্যক্রমে সরাসরি সম্পৃক্ত করা হয়েছে।

৭. নিবিড় তদারকি ও ডিজিটাল রিপোর্টিং: সমগ্র কার্যক্রম তদারকির জন্য একটি কেন্দ্রীয় মনিটরিং কমিটি’ এবং ১০টি ‘বিভাগীয় মনিটরিং টিম গঠন করা হয়েছে। মাঠ পর্যায়ের প্রতিদিনের অগ্রগতির তথ্য ‘Google Sheet’ এরমাধ্যমে সংগ্রহ করে কেন্দ্রীয়ভাবে পর্যালোচনা করা হচ্ছে।

৮. প্রশিক্ষণ কোর্সসমূহের মাধ্যমে সচেতন: বাংলাদেশ জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের উদ্যোগে চলমান প্রশিক্ষণ কোর্সসমূহে অংশগ্রহণকারীগণকে গণভোেট বিষয়ে অবহিত করা হচ্ছে।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের অধীনস্থ সমাজসেবা অধিদপ্তর ও জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশন তাদের সুশৃঙ্খল কর্মপরিকল্পনার মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক পিছিয়েপড়া ও বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন জনগোষ্ঠীসহ সকল নাগরিকের কাছে গণভোটের বার্তা পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর। সরকারের এই বৃহৎ উদ্যোগ সফল করতে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়, সমাজসেবা অধিদপ্তর ও জাতীয় প্রতিবন্ধী উন্নয়ন ফাউন্ডেশনের প্রতিটি স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন।

সর্বশেষ অগ্রগতি: ১৩ জানুয়ারি ২০২৬ দুপুর ৩.০০ ঘটিকা পর্যন্ত মোট ১২ লক্ষ ২৬ হাজার জনের মধ্যে জনসচেতনতা কর্মসূচি পরিচালনা করা হয়েছে।