ঢাকা ০৬:১৯ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাদ্দামকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ Logo সততা, দায়িত্ববোধ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী Logo কোরবানির হাটের বর্জ্য অপসারণ শেষে তেজগাঁওয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন Logo ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত…স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo দুধ উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি নির্ভরতা কমাতে হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী Logo মধ্যনগরে ১০২ হাফেজকে সংবর্ধনা দিল ইসলামি ছাত্র পরিষদ Logo হরিপুরে দগ্ধ নারীর মরদেহ উদ্ধার, আতঙ্কিত এলাকাবাসী Logo পদ্মা ও যমুনা সেতুতে আধুনিক ইটিসি প্রযুক্তির সুফল : ঈদুল আযহার ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা ছিল নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন Logo লিবিয়া থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন Logo কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের খোঁজ নিতে ঝটিকা সফরে ভোলায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
ঢাকায় তেজগাঁওয়ে চালকদের ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে নতুন দিগন্ত উন্মোচন।

গাড়ি চালকদের প্রশিক্ষণ শুরু: শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে বাস্তবভিত্তিক অংশীদারিত্বমূলক উদ্যোগ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৫৬:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫৫ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, গাড়ি চালকদের প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রথমবারের মতো একটি বাস্তবভিত্তিক অংশীদারিত্বমূলক উদ্যোগ শুরু হয়েছে। দেশের ৫৪ বছরের বাস্তবতায় আমরা পরিবেশ রক্ষায় কার্যকরভাবে খুব কম কাজই করেছি। এই বাস্তবতার ঊর্ধ্বে উঠে এবারের উদ্যোগ সফল করতে চালকদেরকে প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে এর গুরুত্ব উপলব্ধি করতে হবে।

আজ ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প (৩য় সংশোধিত)’-এর আওতায় ঢাকায় তেজগাঁওয়ে বিআরটিসি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ‘পেশাজীবী পরিবহন গাড়িচালক শ্রমিকদের দক্ষতা ও শব্দ দূষণ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ’ কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, হর্ন ব্যবহারে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় গাড়ি চালকদের। দেশে শতকরা ৬৫ ভাগ গাড়িচালক কানে কম শোনেন। সমস্যার গভীরতা তাদেরকে উপলব্ধি করতে হবে। তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, বিআরটিসির অধিকাংশ বাস থেকে কালো ধোঁয়া নির্গমণ হওয়া অগ্রহণযোগ্য। আইনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহন দ্রুত বন্ধ করতে বিআরটিএ ও বিআরটিসির প্রতি অনুরোধ জানান তিনি। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালার আওতায় এবার পরিবেশ অধিদপ্তরের পাশাপাশি পুলিশকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে ট্রাফিক সার্জেন্টরা রাস্তায় থেকে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে পারবেন এবং প্রয়োজনে জরিমানাও করতে পারবেন।
উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুকে নিজের সবচেয়ে বড় গ্লানি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, দেশে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবছর বেড়েই চলেছে, অথচ তা কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, এর প্রধান বাধা আমলাতন্ত্র, যা জনগণের ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসে আছে এবং মানবিক দায়িত্ববোধহীনভাবে জনস্বার্থকে উপেক্ষা করছে। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। এ ব্যবস্থার পরিবর্তন করে নতুন বিধিমালার আওতায় চালকদের জন্য বাধ্যতামূলক ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ চালু করা হচ্ছে। এই প্রশিক্ষণে গাড়ি চালানোর দক্ষতা, শারীরিক সক্ষমতা, দৃষ্টিশক্তি ও অন্যান্য স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য চালকদের লাইসেন্স দেওয়া হবে।
সড়ক ও সেতু উপদেষ্টা আরো বলেন, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য মানুষের জীবন রক্ষা করা, সড়কে মৃত্যুর হার কমানো, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং শব্দ ও বায়ু দূষণ কমিয়ে ঢাকাকে বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করা। এ সময় সরকারি কর্মচারীদের জনগণের সেবক হিসেবে আখ্যা দিয়ে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দেবার আহবান জানান উপদেষ্টা এবং বৃহত্তর জনস্বার্থে এই উদ্যোগ সফল করতে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার নির্দেশ দেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত শেখ মইনউদ্দিন বলেন, একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে পরিবহন খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বাংলাদেশে এই খাতটি দীর্ঘদিন ধরেই বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে। বর্তমান সরকার এ খাতকে শৃঙ্খলার আওতায় আনতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো চালকদের বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। তিনি আরোও বলেন, ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণে চালকদের কখন হর্ন ব্যবহার করতে হবে, কীভাবে সঠিকভাবে লেন পরিবর্তন করতে হবে, ট্রাফিক সংকেত সংক্রান্ত নিয়মকানুন এসব বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা দেওয়া হবে। আমি আশা করছি ভবিষ্যতে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে, সড়ক দুর্ঘটনা কমাবে এবং শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) কর্তৃক আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, এছাড়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর চেয়ারম্যান আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, পরিবহন মালিক-শ্রমিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিবৃন্দ।

জনপ্রিয় সংবাদ

হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাদ্দামকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ

ঢাকায় তেজগাঁওয়ে চালকদের ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে নতুন দিগন্ত উন্মোচন।

গাড়ি চালকদের প্রশিক্ষণ শুরু: শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে বাস্তবভিত্তিক অংশীদারিত্বমূলক উদ্যোগ

আপডেট সময় ০৬:৫৬:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

আলী আহসান রবি : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, গাড়ি চালকদের প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রথমবারের মতো একটি বাস্তবভিত্তিক অংশীদারিত্বমূলক উদ্যোগ শুরু হয়েছে। দেশের ৫৪ বছরের বাস্তবতায় আমরা পরিবেশ রক্ষায় কার্যকরভাবে খুব কম কাজই করেছি। এই বাস্তবতার ঊর্ধ্বে উঠে এবারের উদ্যোগ সফল করতে চালকদেরকে প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে এর গুরুত্ব উপলব্ধি করতে হবে।

আজ ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প (৩য় সংশোধিত)’-এর আওতায় ঢাকায় তেজগাঁওয়ে বিআরটিসি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ‘পেশাজীবী পরিবহন গাড়িচালক শ্রমিকদের দক্ষতা ও শব্দ দূষণ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ’ কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, হর্ন ব্যবহারে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় গাড়ি চালকদের। দেশে শতকরা ৬৫ ভাগ গাড়িচালক কানে কম শোনেন। সমস্যার গভীরতা তাদেরকে উপলব্ধি করতে হবে। তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, বিআরটিসির অধিকাংশ বাস থেকে কালো ধোঁয়া নির্গমণ হওয়া অগ্রহণযোগ্য। আইনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহন দ্রুত বন্ধ করতে বিআরটিএ ও বিআরটিসির প্রতি অনুরোধ জানান তিনি। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালার আওতায় এবার পরিবেশ অধিদপ্তরের পাশাপাশি পুলিশকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে ট্রাফিক সার্জেন্টরা রাস্তায় থেকে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে পারবেন এবং প্রয়োজনে জরিমানাও করতে পারবেন।
উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুকে নিজের সবচেয়ে বড় গ্লানি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, দেশে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবছর বেড়েই চলেছে, অথচ তা কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, এর প্রধান বাধা আমলাতন্ত্র, যা জনগণের ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসে আছে এবং মানবিক দায়িত্ববোধহীনভাবে জনস্বার্থকে উপেক্ষা করছে। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। এ ব্যবস্থার পরিবর্তন করে নতুন বিধিমালার আওতায় চালকদের জন্য বাধ্যতামূলক ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ চালু করা হচ্ছে। এই প্রশিক্ষণে গাড়ি চালানোর দক্ষতা, শারীরিক সক্ষমতা, দৃষ্টিশক্তি ও অন্যান্য স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য চালকদের লাইসেন্স দেওয়া হবে।
সড়ক ও সেতু উপদেষ্টা আরো বলেন, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য মানুষের জীবন রক্ষা করা, সড়কে মৃত্যুর হার কমানো, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং শব্দ ও বায়ু দূষণ কমিয়ে ঢাকাকে বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করা। এ সময় সরকারি কর্মচারীদের জনগণের সেবক হিসেবে আখ্যা দিয়ে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দেবার আহবান জানান উপদেষ্টা এবং বৃহত্তর জনস্বার্থে এই উদ্যোগ সফল করতে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার নির্দেশ দেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত শেখ মইনউদ্দিন বলেন, একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে পরিবহন খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বাংলাদেশে এই খাতটি দীর্ঘদিন ধরেই বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে। বর্তমান সরকার এ খাতকে শৃঙ্খলার আওতায় আনতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো চালকদের বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। তিনি আরোও বলেন, ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণে চালকদের কখন হর্ন ব্যবহার করতে হবে, কীভাবে সঠিকভাবে লেন পরিবর্তন করতে হবে, ট্রাফিক সংকেত সংক্রান্ত নিয়মকানুন এসব বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা দেওয়া হবে। আমি আশা করছি ভবিষ্যতে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে, সড়ক দুর্ঘটনা কমাবে এবং শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) কর্তৃক আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, এছাড়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর চেয়ারম্যান আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, পরিবহন মালিক-শ্রমিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিবৃন্দ।