ঢাকা ০৬:৩২ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ মার্চ ২০২৬, ৪ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ…ড. খলিলুর রহমান Logo এনায়েতপুর যুবসমাজের উদ্যোগে ব্যতিক্রমী আয়োজন: শিশু কিশোরদের কুরআন তেলওয়াত প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত  Logo ভিয়েনায় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও ব্রিটিশ স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দ্বিপাক্ষিক বৈঠক: পুলিশ সংস্কার ও রোহিঙ্গা ইস্যুতে যুক্তরাজ্যের সহযোগিতা কামনা Logo কিশোরগঞ্জে নিহত রেমিট্যান্স যোদ্ধা বাচ্চু মিয়ার পরিবারের পাশে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী আর্থিক সহায়তা প্রদান ও বাসস্থানের ঘোষণা Logo জনগুরুত্ব বিবেচনা করে প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে সরকার – সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম Logo স্বাস্থ্যমন্ত্রী ঘোষিত ২৪ ঘন্টা সময়ের মধ্যেই চালু হলো সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালের আইসিইউ  Logo মধ্যনগরের বীর মুক্তিযোদ্ধা নুরুল ইসলাম এর দাফন রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় সম্পন্ন। Logo প্রধানমন্ত্রীর ঈদ বোনাস পেলেন ডিএনসিসির ৩ হাজার ৩২ জন পরিচ্ছন্নতাকর্মী Logo গাবতলি বাস টার্মিনালে নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন করলেন আইজিপি ও ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার Logo বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন উপাচার্য নিয়োগ ও শিক্ষা ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার ঘোষণা
ঢাকায় তেজগাঁওয়ে চালকদের ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে নতুন দিগন্ত উন্মোচন।

গাড়ি চালকদের প্রশিক্ষণ শুরু: শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে বাস্তবভিত্তিক অংশীদারিত্বমূলক উদ্যোগ

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৬:৫৬:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৪০ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, গাড়ি চালকদের প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রথমবারের মতো একটি বাস্তবভিত্তিক অংশীদারিত্বমূলক উদ্যোগ শুরু হয়েছে। দেশের ৫৪ বছরের বাস্তবতায় আমরা পরিবেশ রক্ষায় কার্যকরভাবে খুব কম কাজই করেছি। এই বাস্তবতার ঊর্ধ্বে উঠে এবারের উদ্যোগ সফল করতে চালকদেরকে প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে এর গুরুত্ব উপলব্ধি করতে হবে।

আজ ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প (৩য় সংশোধিত)’-এর আওতায় ঢাকায় তেজগাঁওয়ে বিআরটিসি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ‘পেশাজীবী পরিবহন গাড়িচালক শ্রমিকদের দক্ষতা ও শব্দ দূষণ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ’ কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, হর্ন ব্যবহারে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় গাড়ি চালকদের। দেশে শতকরা ৬৫ ভাগ গাড়িচালক কানে কম শোনেন। সমস্যার গভীরতা তাদেরকে উপলব্ধি করতে হবে। তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, বিআরটিসির অধিকাংশ বাস থেকে কালো ধোঁয়া নির্গমণ হওয়া অগ্রহণযোগ্য। আইনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহন দ্রুত বন্ধ করতে বিআরটিএ ও বিআরটিসির প্রতি অনুরোধ জানান তিনি। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালার আওতায় এবার পরিবেশ অধিদপ্তরের পাশাপাশি পুলিশকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে ট্রাফিক সার্জেন্টরা রাস্তায় থেকে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে পারবেন এবং প্রয়োজনে জরিমানাও করতে পারবেন।
উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুকে নিজের সবচেয়ে বড় গ্লানি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, দেশে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবছর বেড়েই চলেছে, অথচ তা কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, এর প্রধান বাধা আমলাতন্ত্র, যা জনগণের ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসে আছে এবং মানবিক দায়িত্ববোধহীনভাবে জনস্বার্থকে উপেক্ষা করছে। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। এ ব্যবস্থার পরিবর্তন করে নতুন বিধিমালার আওতায় চালকদের জন্য বাধ্যতামূলক ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ চালু করা হচ্ছে। এই প্রশিক্ষণে গাড়ি চালানোর দক্ষতা, শারীরিক সক্ষমতা, দৃষ্টিশক্তি ও অন্যান্য স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য চালকদের লাইসেন্স দেওয়া হবে।
সড়ক ও সেতু উপদেষ্টা আরো বলেন, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য মানুষের জীবন রক্ষা করা, সড়কে মৃত্যুর হার কমানো, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং শব্দ ও বায়ু দূষণ কমিয়ে ঢাকাকে বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করা। এ সময় সরকারি কর্মচারীদের জনগণের সেবক হিসেবে আখ্যা দিয়ে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দেবার আহবান জানান উপদেষ্টা এবং বৃহত্তর জনস্বার্থে এই উদ্যোগ সফল করতে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার নির্দেশ দেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত শেখ মইনউদ্দিন বলেন, একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে পরিবহন খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বাংলাদেশে এই খাতটি দীর্ঘদিন ধরেই বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে। বর্তমান সরকার এ খাতকে শৃঙ্খলার আওতায় আনতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো চালকদের বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। তিনি আরোও বলেন, ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণে চালকদের কখন হর্ন ব্যবহার করতে হবে, কীভাবে সঠিকভাবে লেন পরিবর্তন করতে হবে, ট্রাফিক সংকেত সংক্রান্ত নিয়মকানুন এসব বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা দেওয়া হবে। আমি আশা করছি ভবিষ্যতে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে, সড়ক দুর্ঘটনা কমাবে এবং শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) কর্তৃক আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, এছাড়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর চেয়ারম্যান আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, পরিবহন মালিক-শ্রমিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিবৃন্দ।

জনপ্রিয় সংবাদ

নারীর ক্ষমতায়ন ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ অঙ্গীকারবদ্ধ…ড. খলিলুর রহমান

ঢাকায় তেজগাঁওয়ে চালকদের ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের মাধ্যমে সড়ক দুর্ঘটনা ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে নতুন দিগন্ত উন্মোচন।

গাড়ি চালকদের প্রশিক্ষণ শুরু: শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে বাস্তবভিত্তিক অংশীদারিত্বমূলক উদ্যোগ

আপডেট সময় ০৬:৫৬:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ জানুয়ারী ২০২৬

আলী আহসান রবি : পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, তথ্য ও সম্প্রচার এবং পানি সম্পদ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, গাড়ি চালকদের প্রশিক্ষণের মধ্য দিয়ে শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে প্রথমবারের মতো একটি বাস্তবভিত্তিক অংশীদারিত্বমূলক উদ্যোগ শুরু হয়েছে। দেশের ৫৪ বছরের বাস্তবতায় আমরা পরিবেশ রক্ষায় কার্যকরভাবে খুব কম কাজই করেছি। এই বাস্তবতার ঊর্ধ্বে উঠে এবারের উদ্যোগ সফল করতে চালকদেরকে প্রশিক্ষণ গ্রহণের মাধ্যমে এর গুরুত্ব উপলব্ধি করতে হবে।

আজ ‘শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণে সমন্বিত ও অংশীদারিত্বমূলক প্রকল্প (৩য় সংশোধিত)’-এর আওতায় ঢাকায় তেজগাঁওয়ে বিআরটিসি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে ‘পেশাজীবী পরিবহন গাড়িচালক শ্রমিকদের দক্ষতা ও শব্দ দূষণ বিষয়ে সচেতনতা বৃদ্ধিমূলক প্রশিক্ষণ’ কার্যক্রম উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় উপদেষ্টা এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, বিদ্যুৎ জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান।
উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, হর্ন ব্যবহারে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয় গাড়ি চালকদের। দেশে শতকরা ৬৫ ভাগ গাড়িচালক কানে কম শোনেন। সমস্যার গভীরতা তাদেরকে উপলব্ধি করতে হবে। তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, বিআরটিসির অধিকাংশ বাস থেকে কালো ধোঁয়া নির্গমণ হওয়া অগ্রহণযোগ্য। আইনের প্রতি সম্মান দেখিয়ে কালো ধোঁয়া নির্গমনকারী যানবাহন দ্রুত বন্ধ করতে বিআরটিএ ও বিআরটিসির প্রতি অনুরোধ জানান তিনি। শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ বিধিমালার আওতায় এবার পরিবেশ অধিদপ্তরের পাশাপাশি পুলিশকেও দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এতে ট্রাফিক সার্জেন্টরা রাস্তায় থেকে শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে কাজ করতে পারবেন এবং প্রয়োজনে জরিমানাও করতে পারবেন।
উপদেষ্টা মুহাম্মদ ফাওজুল কবির খান প্রধান অতিথির বক্তৃতায় সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যুকে নিজের সবচেয়ে বড় গ্লানি হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, দেশে সড়ক দুর্ঘটনা প্রতিবছর বেড়েই চলেছে, অথচ তা কমাতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া যাচ্ছে না। তিনি বলেন, এর প্রধান বাধা আমলাতন্ত্র, যা জনগণের ওপর জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসে আছে এবং মানবিক দায়িত্ববোধহীনভাবে জনস্বার্থকে উপেক্ষা করছে। আমি দায়িত্ব নেওয়ার পর থেকে সড়ক দুর্ঘটনা কমানোর চেষ্টা করে যাচ্ছি। এ ব্যবস্থার পরিবর্তন করে নতুন বিধিমালার আওতায় চালকদের জন্য বাধ্যতামূলক ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণ চালু করা হচ্ছে। এই প্রশিক্ষণে গাড়ি চালানোর দক্ষতা, শারীরিক সক্ষমতা, দৃষ্টিশক্তি ও অন্যান্য স্বাস্থ্য পরীক্ষার মাধ্যমে যোগ্য চালকদের লাইসেন্স দেওয়া হবে।
সড়ক ও সেতু উপদেষ্টা আরো বলেন, এই উদ্যোগের মূল লক্ষ্য মানুষের জীবন রক্ষা করা, সড়কে মৃত্যুর হার কমানো, সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং শব্দ ও বায়ু দূষণ কমিয়ে ঢাকাকে বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করা। এ সময় সরকারি কর্মচারীদের জনগণের সেবক হিসেবে আখ্যা দিয়ে জনস্বার্থকে প্রাধান্য দেবার আহবান জানান উপদেষ্টা এবং বৃহত্তর জনস্বার্থে এই উদ্যোগ সফল করতে সকলকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করার নির্দেশ দেন।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী এবং সড়ক পরিবহন ও সেতু ও রেলপথ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত শেখ মইনউদ্দিন বলেন, একটি দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের ক্ষেত্রে পরিবহন খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু বাংলাদেশে এই খাতটি দীর্ঘদিন ধরেই বিশৃঙ্খল অবস্থায় রয়েছে। বর্তমান সরকার এ খাতকে শৃঙ্খলার আওতায় আনতে নানা উদ্যোগ নিয়েছে, যার মধ্যে অন্যতম হলো চালকদের বাধ্যতামূলক প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। তিনি আরোও বলেন, ৬০ ঘণ্টার প্রশিক্ষণে চালকদের কখন হর্ন ব্যবহার করতে হবে, কীভাবে সঠিকভাবে লেন পরিবর্তন করতে হবে, ট্রাফিক সংকেত সংক্রান্ত নিয়মকানুন এসব বিষয়ে বাস্তবভিত্তিক শিক্ষা দেওয়া হবে। আমি আশা করছি ভবিষ্যতে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম চলমান থাকবে এবং সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনবে, সড়ক দুর্ঘটনা কমাবে এবং শব্দ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সহায়তা করবে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) কর্তৃক আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. ফারহিনা আহমেদ, এছাড়া বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)-এর চেয়ারম্যান আবু মমতাজ সাদ উদ্দিন আহমেদ সভাপতির দায়িত্ব পালন করেন, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সরকারের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, পরিবহন মালিক-শ্রমিক সমিতির নেতৃবৃন্দ, সুশীল সমাজের প্রতিনিধিবৃন্দ, সরকারি-বেসরকারি কর্মকর্তাসহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক মিডিয়ার প্রতিনিধিবৃন্দ।