ঢাকা ১১:১২ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাদ্দামকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ Logo সততা, দায়িত্ববোধ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী Logo কোরবানির হাটের বর্জ্য অপসারণ শেষে তেজগাঁওয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন Logo ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত…স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo দুধ উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি নির্ভরতা কমাতে হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী Logo মধ্যনগরে ১০২ হাফেজকে সংবর্ধনা দিল ইসলামি ছাত্র পরিষদ Logo হরিপুরে দগ্ধ নারীর মরদেহ উদ্ধার, আতঙ্কিত এলাকাবাসী Logo পদ্মা ও যমুনা সেতুতে আধুনিক ইটিসি প্রযুক্তির সুফল : ঈদুল আযহার ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা ছিল নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন Logo লিবিয়া থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন Logo কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের খোঁজ নিতে ঝটিকা সফরে ভোলায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
আখাউড়া কর্ণেল বাজারে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি সততা, স্বচ্ছতা ও টেকসই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন।

সরকারি সকল সম্পত্তি আমাদের কাছে আমানত হিসেবে থাকবে : আতাউর 

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৮:২১:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • ৫৫৪ বার পড়া হয়েছে
আলী আহসান রবি : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আখাউড়া উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের উদ্যোগে দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে  ইউনিয়ন সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে আখাউড়ার কর্ণেল বাজারে এক নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. আতাউর রহমান সরকার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আতাউর রহমান সরকার বলেন, জনগণ এবার পরিবর্তন চায়, তাই দাঁড়িপাল্লার কোনো বিকল্প নেই। কসবা-আখাউড়ার জনগণ যদি আমাদের ওপর বিশ্বাস রেখে আমানত হিসেবে দায়িত্ব দেয়, তবে আমরা তা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবো।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আর দুর্নীতিবাজদের ক্ষমতায় দেখতে চায় না। কসবা-আখাউড়ার সকল প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে এবং সরকারের যেসব অনুদান আসবে তার পূর্ণ হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশ করা হবে। আমরা একটি আধুনিক মডেল কসবা-আখাউড়া উপজেলা গড়ে তুলবো, ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, তরুণদের কর্মমুখী করে গড়ে তোলা হবে। শিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে তাদের পড়াশোনার সুযোগ বাড়ানো হবে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, তরুণদের বেকারভাতার নামে একটি দল তাদের ভবিষ্যৎ ধ্বংসের গভীর ষড়যন্ত্র করছে। জামায়াত ক্ষমতায় এলে তরুণদের চাকরির অধিকার নিশ্চিত করা হবে। কাউকে কারও কাছে হাত পাততে হবে না, যোগ্যতার ভিত্তিতেই সবাই মূল্যায়িত হবে।
আতাউর রহমান সরকার বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলে নারীরা নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করতে পারবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে নিরাপদ একটি শান্তিপূর্ণ ও ঐক্যবদ্ধ কসবা-আখাউড়া গড়ে তোলা হবে।
স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আধুনিকায়নের মাধ্যমে জনগণের ভোগান্তি দূর করা হবে। চিকিৎসার জন্য আর ভারতে যেতে হবে না। জামায়াত ক্ষমতায় এলে প্রতিটি জেলা সদরে একটি করে বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।
তিনি বলেন, জামায়াতের উন্নয়ন হবে টেকসই ও মানসম্মত। উন্নয়নের নামে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের কোনো সুযোগ থাকবে না। সঠিক কাজের মাধ্যমেই উপজেলাগুলোকে নিরাপদ জনপদে রূপান্তর করা হবে।
মাদকের বিষয়ে তিনি বলেন, একটি পক্ষ অতীতে মাদক কারবারে যুক্ত ছিল এবং বর্তমানে আরেকটি পক্ষ তাদের রক্ষা করছে। জামায়াত মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও নির্যাতন চালানো হলে এখন থেকে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। আমাদের দুর্বল ভাবলে ভুল করা হবে।
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি বলেন, আমরা নতুন এক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি। এই জনগণকে সঙ্গে নিয়েই আগামীর একটি সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে, ইনশাআল্লাহ।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. আবুল বাশার ভূঁইয়া, আখাউড়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মো. ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া, সহকারী সেক্রেটারি মো. সানাউল্লাহ, কসবা উপজেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি আল আমিন সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি জুলফিকার হায়দার রাফি, জেলা প্রচার সম্পাদক সাইফুল্লাহ আল আরিফ, আখাউড়া উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি শেখ ছাদেকুল ইসলাম, এনসিপির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা যুগ্ম সদস্য সচিব এম. এ. মামুন শরীফ বাতেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।
জনপ্রিয় সংবাদ

হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাদ্দামকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ

আখাউড়া কর্ণেল বাজারে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি সততা, স্বচ্ছতা ও টেকসই উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দেন।

সরকারি সকল সম্পত্তি আমাদের কাছে আমানত হিসেবে থাকবে : আতাউর 

আপডেট সময় ০৮:২১:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
আলী আহসান রবি : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী আখাউড়া উপজেলার মনিয়ন্দ ইউনিয়নের উদ্যোগে দাঁড়িপাল্লার সমর্থনে  ইউনিয়ন সভাপতি শেখ আনোয়ার হোসেনের সভাপতিত্বে আখাউড়ার কর্ণেল বাজারে এক নির্বাচনী জনসভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১১ দলীয় ঐক্য সমর্থিত ও বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী মনোনীত ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪ (কসবা–আখাউড়া) আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী মো. আতাউর রহমান সরকার।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে আতাউর রহমান সরকার বলেন, জনগণ এবার পরিবর্তন চায়, তাই দাঁড়িপাল্লার কোনো বিকল্প নেই। কসবা-আখাউড়ার জনগণ যদি আমাদের ওপর বিশ্বাস রেখে আমানত হিসেবে দায়িত্ব দেয়, তবে আমরা তা সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে পালন করবো।
তিনি বলেন, বাংলাদেশের মানুষ আর দুর্নীতিবাজদের ক্ষমতায় দেখতে চায় না। কসবা-আখাউড়ার সকল প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামোগত উন্নয়ন করা হবে এবং সরকারের যেসব অনুদান আসবে তার পূর্ণ হিসাব জনসম্মুখে প্রকাশ করা হবে। আমরা একটি আধুনিক মডেল কসবা-আখাউড়া উপজেলা গড়ে তুলবো, ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরও বলেন, তরুণদের কর্মমুখী করে গড়ে তোলা হবে। শিক্ষাবৃত্তির মাধ্যমে তাদের পড়াশোনার সুযোগ বাড়ানো হবে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, তরুণদের বেকারভাতার নামে একটি দল তাদের ভবিষ্যৎ ধ্বংসের গভীর ষড়যন্ত্র করছে। জামায়াত ক্ষমতায় এলে তরুণদের চাকরির অধিকার নিশ্চিত করা হবে। কাউকে কারও কাছে হাত পাততে হবে না, যোগ্যতার ভিত্তিতেই সবাই মূল্যায়িত হবে।
আতাউর রহমান সরকার বলেন, জামায়াত ক্ষমতায় এলে নারীরা নিরাপত্তার সঙ্গে বসবাস করতে পারবে। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাইকে সঙ্গে নিয়ে নিরাপদ একটি শান্তিপূর্ণ ও ঐক্যবদ্ধ কসবা-আখাউড়া গড়ে তোলা হবে।
স্বাস্থ্যখাতের উন্নয়নের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আধুনিকায়নের মাধ্যমে জনগণের ভোগান্তি দূর করা হবে। চিকিৎসার জন্য আর ভারতে যেতে হবে না। জামায়াত ক্ষমতায় এলে প্রতিটি জেলা সদরে একটি করে বিশেষায়িত হাসপাতাল নির্মাণ করা হবে।
তিনি বলেন, জামায়াতের উন্নয়ন হবে টেকসই ও মানসম্মত। উন্নয়নের নামে রডের পরিবর্তে বাঁশ ব্যবহারের কোনো সুযোগ থাকবে না। সঠিক কাজের মাধ্যমেই উপজেলাগুলোকে নিরাপদ জনপদে রূপান্তর করা হবে।
মাদকের বিষয়ে তিনি বলেন, একটি পক্ষ অতীতে মাদক কারবারে যুক্ত ছিল এবং বর্তমানে আরেকটি পক্ষ তাদের রক্ষা করছে। জামায়াত মাদকের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করবে।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, আমাদের নেতাকর্মীদের ওপর হামলা ও নির্যাতন চালানো হলে এখন থেকে প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। আমাদের দুর্বল ভাবলে ভুল করা হবে।
বক্তব্যের শেষাংশে তিনি বলেন, আমরা নতুন এক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখি। এই জনগণকে সঙ্গে নিয়েই আগামীর একটি সোনার বাংলাদেশ গড়ে তোলা হবে, ইনশাআল্লাহ।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সমাজকল্যাণ সম্পাদক মো. আবুল বাশার ভূঁইয়া, আখাউড়া উপজেলা জামায়াতের আমীর মো. ইকবাল হোসেন ভূঁইয়া, সহকারী সেক্রেটারি মো. সানাউল্লাহ, কসবা উপজেলা জামায়াতের সাবেক সেক্রেটারি আল আমিন সরকার, ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা ছাত্রশিবির সভাপতি জুলফিকার হায়দার রাফি, জেলা প্রচার সম্পাদক সাইফুল্লাহ আল আরিফ, আখাউড়া উপজেলা ছাত্রশিবিরের সাবেক সভাপতি শেখ ছাদেকুল ইসলাম, এনসিপির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা যুগ্ম সদস্য সচিব এম. এ. মামুন শরীফ বাতেনসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতৃবৃন্দ ও বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ।