ঢাকা ১০:৫৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সংবাদ শিরোনাম ::
Logo হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাদ্দামকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ Logo সততা, দায়িত্ববোধ ও সমন্বিত প্রচেষ্টায় জনগণের প্রত্যাশা পূরণ করতে হবে — মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী Logo কোরবানির হাটের বর্জ্য অপসারণ শেষে তেজগাঁওয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন Logo ডেঙ্গু মোকাবিলায় সরকার প্রস্তুত…স্বাস্থ্যমন্ত্রী Logo দুধ উৎপাদন বাড়িয়ে আমদানি নির্ভরতা কমাতে হবে – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী Logo মধ্যনগরে ১০২ হাফেজকে সংবর্ধনা দিল ইসলামি ছাত্র পরিষদ Logo হরিপুরে দগ্ধ নারীর মরদেহ উদ্ধার, আতঙ্কিত এলাকাবাসী Logo পদ্মা ও যমুনা সেতুতে আধুনিক ইটিসি প্রযুক্তির সুফল : ঈদুল আযহার ঈদযাত্রায় ঘরমুখো মানুষের যাত্রা ছিল নিরাপদ ও নির্বিঘ্ন Logo লিবিয়া থেকে ১৭৪ জন বাংলাদেশি দেশে ফিরেছেন Logo কর্মস্থলে ফেরা যাত্রীদের খোঁজ নিতে ঝটিকা সফরে ভোলায় নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী
পার্বত্য অঞ্চলের দারিদ্র্য ও দুর্গমতা কাটিয়ে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতের আহ্বান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টার

প্রাথমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য হচ্ছে শিশুদের মধ্যে যে সুপ্ত প্রতিভা আছে, তা বিকশিত করার সুযোগ করে দেওয়া – প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা

  • নিজস্ব সংবাদ :
  • আপডেট সময় ০৪:৪৬:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৫৯৪ বার পড়া হয়েছে

আলী আহসান রবি : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলে শিশুদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে নানান ধরনের সমস্যা রয়েছে। এর একটি দিক হলো দারিদ্র্য। দারিদ্র্যের কারণে ছেলেমেয়েরা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারে না। দারিদ্র্যের কারণেই অভিভাবকরাও অনেক সময় সন্তানদের পড়াশোনা করাতে আগ্রহী হন না। আরেকটি সমস্যা হলো দুর্গমতা। যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রতিকূলতার কারণে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হন। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ হলো ভাষাশিক্ষা। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় চাইলেই রাতারাতি সব সমস্যা সমাধান করে ফেলতে পারে না। তবে আমাদের যে পরিমাণ সক্ষমতা আছে, তার ভিত্তিতে প্রাথমিক শিক্ষার মান কীভাবে বাড়ানো যায়—সে চেষ্টাই আমরা করে যাচ্ছি। দুর্গমতা ও দারিদ্র্যের ক্ষেত্রে আবাসিক বিদ্যালয় স্থাপন একটি ভালো সমাধান হতে পারে।

উপদেষ্টা আজ রবিবার খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার টাউন হলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আয়োজনে
‘প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট অংশীজনের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বক্তব্য প্রদানের পূর্বে উপদেষ্টা খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা ও রাঙামাটি জেলার প্রত্যন্ত এলাকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁরা কাজ করতে গিয়ে যেসব বহুমুখী সমস্যা ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত শোনেন।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত প্রধান শিক্ষকদের উদ্দেশে উপদেষ্টা বলেন, আমাদের প্রাথমিক শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শিশুদের মধ্যে যে সুপ্ত প্রতিভা আছে, তা বিকশিত করার সুযোগ করে দেওয়া। এই বিকাশ মানসিক ও শারীরিক—উভয় ক্ষেত্রেই হতে হবে। শিশুদের পড়াশোনার পাশাপাশি তাদের নৈতিক বিকাশ ও সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার বিষয়েও আমাদের সজাগ থাকতে হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএমইউ-এর মহাপরিচালক তসলিমা আক্তার এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা। মতবিনিময় সভায় খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি জেলার উপজেলা শিক্ষা অফিসার, সরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন
সিনিয়র তথ্য অফিসার
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

জনপ্রিয় সংবাদ

হত্যা মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত ও পেশাদার ছিনতাইকারী সাদ্দামকে গ্রেফতার করেছে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ

পার্বত্য অঞ্চলের দারিদ্র্য ও দুর্গমতা কাটিয়ে গুণগত শিক্ষা নিশ্চিতের আহ্বান প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টার

প্রাথমিক শিক্ষার উদ্দেশ্য হচ্ছে শিশুদের মধ্যে যে সুপ্ত প্রতিভা আছে, তা বিকশিত করার সুযোগ করে দেওয়া – প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা

আপডেট সময় ০৪:৪৬:৪০ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৮ জানুয়ারী ২০২৬

আলী আহসান রবি : প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা অধ্যাপক ডা. বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার বলেছেন, পার্বত্য অঞ্চলে শিশুদের পড়াশোনার ক্ষেত্রে নানান ধরনের সমস্যা রয়েছে। এর একটি দিক হলো দারিদ্র্য। দারিদ্র্যের কারণে ছেলেমেয়েরা ঠিকমতো পড়াশোনা করতে পারে না। দারিদ্র্যের কারণেই অভিভাবকরাও অনেক সময় সন্তানদের পড়াশোনা করাতে আগ্রহী হন না। আরেকটি সমস্যা হলো দুর্গমতা। যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রতিকূলতার কারণে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা নানা সমস্যার সম্মুখীন হন। আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রসঙ্গ হলো ভাষাশিক্ষা। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় চাইলেই রাতারাতি সব সমস্যা সমাধান করে ফেলতে পারে না। তবে আমাদের যে পরিমাণ সক্ষমতা আছে, তার ভিত্তিতে প্রাথমিক শিক্ষার মান কীভাবে বাড়ানো যায়—সে চেষ্টাই আমরা করে যাচ্ছি। দুর্গমতা ও দারিদ্র্যের ক্ষেত্রে আবাসিক বিদ্যালয় স্থাপন একটি ভালো সমাধান হতে পারে।

উপদেষ্টা আজ রবিবার খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার টাউন হলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের আয়োজনে
‘প্রাথমিক শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়নে শিক্ষা-সংশ্লিষ্ট অংশীজনের ভূমিকা’ শীর্ষক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন। বক্তব্য প্রদানের পূর্বে উপদেষ্টা খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা ও রাঙামাটি জেলার প্রত্যন্ত এলাকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোর প্রধান শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং তাঁরা কাজ করতে গিয়ে যেসব বহুমুখী সমস্যা ও চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হচ্ছেন, সে বিষয়ে বিস্তারিত শোনেন।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত প্রধান শিক্ষকদের উদ্দেশে উপদেষ্টা বলেন, আমাদের প্রাথমিক শিক্ষার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে শিশুদের মধ্যে যে সুপ্ত প্রতিভা আছে, তা বিকশিত করার সুযোগ করে দেওয়া। এই বিকাশ মানসিক ও শারীরিক—উভয় ক্ষেত্রেই হতে হবে। শিশুদের পড়াশোনার পাশাপাশি তাদের নৈতিক বিকাশ ও সামাজিক দায়িত্ববোধ জাগ্রত করার বিষয়েও আমাদের সজাগ থাকতে হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব আবু তাহের মো. মাসুদ রানার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলার প্রশাসক মো. আনোয়ার সাদাত। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিপিআইএমইউ-এর মহাপরিচালক তসলিমা আক্তার এবং খাগড়াছড়ি পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেফালিকা ত্রিপুরা। মতবিনিময় সভায় খাগড়াছড়ি ও রাঙামাটি জেলার উপজেলা শিক্ষা অফিসার, সরকারি বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষকসহ প্রাথমিক শিক্ষার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
মোহাম্মদ শাহাদাত হোসেন
সিনিয়র তথ্য অফিসার
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।